বিজ্ঞাপন

ছাত্রীকে দলবেঁধে শ্লীলতাহানি, ৫দিনেও অভিযুক্তদের আটকে ব্যার্থ থানা পুলিশ

রাজশাহীর তানোরে এক ছাত্রী শ্লীলতাহানীর শিকার হয়েছে। মামলার ৫দিন অতিবাহিত হলেও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে ব্যার্থ থানা পুলিশ। ভুক্তভোগী ও তার পরিবার নতুন কোন দুর্ঘটনার শিকারের আতঙ্কে রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ওই ছাত্রী এসএসসি পরীক্ষার্থী। গত বৃহস্পতিবার (১৪ম) তানোর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরছিল ওই পরিক্ষার্থী। এই ঘটনায় পরিক্ষার্থীর অভিভাবক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তানোর থানায় এজহার দায়ের করেছে। ভূক্তভোগী ওই পরিক্ষার্থী জানান, সে পরিক্ষা শেষে অটো ভ্যানে বাড়ি ফিরছিল। ওই সময় দলবদ্ধ হয়ে কিছু বখাটে ছেলে তার হিজাব বোরখা টেনে হিঁচড়ে নামিয়ে বাশের লাঠি দিয়ে মারধর করেছে। ঘটনাস্থল থেকে সুযোগ বুঝে থানায় যায়। প্রকাশ্যে দিবালোকে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি জানিয়েছে ওই ছাত্রী।

ঘটানার সূত্রপাত নিয়ে জানা যায়, একটি তরুন-যুবক সংঙ্গবদ্ধ চক্র তানোরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তাদের নিয়ন্ত্রণে কারা ইন্ধন দিচ্ছে তার হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। একর পর এক শ্লীলতার ঘটনা ঘটছে। গত ১২ মে একই ভাবে আরো একটি ঘটনা ঘটে। যার কারনে থানায় মামলা হয়। হয়তো ওই জেরে নতুন করে ১৪ মে আরো একজন ছাত্রীর সঙ্গে শ্লীনতাহানী হয়।

থানার মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৪ম) থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেন ওই পরিক্ষার্থীর “মা”। অভিযুক্তরা হলো, আরাফাত হোসেন(১৯), হিমেল ইসলাম (২৮), জুয়েল ইসলাম(২৭), সবুজ ইসলাম (১৭), নাইম (২৫), ফয়সাল (২৬), বাবু আজাদ (২৭), কাশিম (২৪) এবং রিদয় (২০)।

এসএসসি পরীক্ষার্থীকে দলবেঁধে শ্লীলতাহানি ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। আসদমীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যহত রয়েছে। অভিযুক্তরা সবাই আত্মগোপনে রয়েছে বলে জানান, তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ এসএস মাসুদ পারভেজ।

এবিষযে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, পুলিশ অপরাধীরদের বিরুদ্ধে সব সময় কঠর পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। ভুক্তভোগীদের সহযোগিতা করাই পুলিশের কাজ। অপরাধ সংগঠিত করে অভিযুক্তরা আত্মগোপন করেছে। থানা পুলিশসহ আন্যান্য গয়েন্দা সংস্থা তাদের আটকের চেষ্ঠা করছে।

পড়ুন:দুপুরের মধ্যে ৫ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

দেখুন:ঝালকাঠিতে লাশের খাটিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় আহত ৬

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন