ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্ত্রী প্রবাসে থাকার সুযোগে নিজ কিশোরী কন্যাকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগে রফিকুল ইসলাম (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) বিকেলে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এর আগে ভোররাতে শহরের ছয়ঘরিয়া এলাকার ভাড়াটে বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে সদর মডেল থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত রফিকুল জেলার নাসিরনগর উপজেলার নুরপুর গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে।
মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ঐ কিশোরীর মা রোজিনা বেগম বিগত ৬ বছর ধরে সৌদি আরব প্রবাসী। সে সুবাদে তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ছয়ঘড়িয়া এলাকায় একটি ভাড়াটে বাসায় বসবাস করেন। সম্প্রতি রোজিনা বেগম বাংলাদেশে এসে ছুটি কাটিয়ে গত দুই সপ্তাহ আগে ফের সৌদি আরবে চলে যান। এরপর থেকে ভূক্তভোগী কিশোরী তার দুই ছোটবোন ও পিতা সেই ভাড়াটে বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। তবে ভুক্তভোগীর মা না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত পিতা রফিকুল ইসলাম গত ১৬ মে রাতে তার বড় কন্যাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকী প্রদান করে। পরে গেল গত ১৮ মে সকালে ফের ওই পিতা তার কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। এ সময় ওই কিশোরী পালিয়ে গিয়ে বিষয়টি আশপাশের লোকজনদের অবগত করে। পরে সদর মডেল থানায় পিতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী কিশোরী নিজে বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে ধর্ষণের অভিযোগে তার পিতার বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করে। এরপর পর পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত পিতাকে গ্রেফতার করে। বুধবার বিকেলে অভিযুক্ত ওই পিতাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

