ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন উত্তরবঙ্গগামী ঘরমুখো মানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে প্রায় ১৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানবাহনের ধীরগতি দেখা দিয়েছে। যানজট নিরসনে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে এক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে জেলা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে মহাসড়কের গোড়াই, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল বাইপাস, রাবনা বাইপাস, এলেঙ্গা ও যমুনা সেতুর পূর্ব পাড় পর্যন্ত যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। দূরপাল্লার বাসের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকেও যাত্রীরা নিজ নিজ গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন।
বিশেষ করে এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৩ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় ধীরগতিতে চলাচল করছে যানবাহন। তবে কোথাও দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়নি।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যমুনা সেতুতেও রাখা হয়েছে বিশেষ নজরদারি। পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।
এ ছাড়া কোরবানির পশুবাহী ট্রাক, পণ্যবাহী যান ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।
এলেঙ্গা ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ চলমান থাকা এবং চার লেন প্রকল্পের কিছু অংশের কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় যান চলাচলে ধীরগতি তৈরি হয়েছে। এতে সামনে আরও যানজটের আশঙ্কা করছেন যাত্রী ও চালকেরা।
যমুনা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার ভোররাতে বৃষ্টি এবং অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সেতু বিভাগ ও পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে।
যমুনা সেতু দিয়ে যানবাহন পারাপারের জন্য ১৮টি টোল বুথ চালু রাখা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে প্রায় ৫৩ হাজার যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।
পড়ুন: পবিত্র হজ আজ: ‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত পবিত্র আরাফা ময়দান
আর/


