বিজ্ঞাপন

হাটে শেষদিনেও ক্রেতা কম, ব্যাপারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ

শেষ মুহূর্তে এসে কোরবানির পশুর হাটগুলোতে যখন বেচাকেনা চাঙা থাকার কথা, তখন বৃষ্টি ও কাদাপানিতে বিপর্যস্ত রাজধানীর পশুর হাটগুলো। ঈদের মাত্র একদিন আগে গাবতলীসহ বিভিন্ন হাটে ক্রেতা উপস্থিতি কমে যাওয়ায় দুর্ভোগের পাশাপাশি বাড়ছে বিক্রেতাদের হতাশা। বৃষ্টির কারণে হাটের মাটি কাদায় পরিণত হওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, আর এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বেচাকেনায়।

বিগত প্রায় কয়েকদিনের মতো বুধবারও (২৭ মে) রাজধানীর প্রধান পশুর হাট গাবতলীসহ বিভিন্ন হাটে সকাল থেকে টানা বৃষ্টি শুরু হয়। এতে হাটের ভেতরে পানি জমে যায়, কাদা-পানিতে একাকার হয়ে পড়ে পুরো এলাকা।

বিজ্ঞাপন

ক্রেতারা অনেকেই কাদা ও ভিড় এড়িয়ে দ্রুত হাট ত্যাগ করছেন, ফলে স্বাভাবিক কেনাবেচার পরিবেশ তেমন নেই। মো. হাবিব নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘হাটে এসে পশু দেখেছি, কিন্তু বৃষ্টির কারণে ঠিকভাবে ঘুরে দেখা সম্ভব হয়নি। কাদা-পানিতে হাঁটা কষ্টকর, দামও তেমন কমেনি।

কামাল নামে আরেকজন ক্রেতা জানান, ‘শেষ সময়ে এসে ভেবেছিলাম ভালো কিছু কিনব, কিন্তু আবহাওয়ার কারণে মনমতো দেখা-শোনা করা যাচ্ছে না। তাই সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হচ্ছে।

অন্যদিকে বিক্রেতা ও ব্যাপারীরা বলছেন, শেষদিনে বেচাকেনা বাড়ার আশা থাকলেও বৃষ্টির কারণে সেই প্রত্যাশা ভেঙে পড়েছে। হাটে ক্রেতা কমে যাওয়ায় অনেকেই বড় ধরনের লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন।

জয়নাল এক ব্যাপারী বলেন, ‘এতদিন ধরে গরু নিয়ে বসে আছি। শেষদিনে বিক্রি বাড়বে ভেবেছিলাম, কিন্তু বৃষ্টির কারণে ক্রেতা আসছেই না। এখন লোকসানের চিন্তা বাড়ছে।’

নিশান নামে আরেক বিক্রেতা জানান, ‘মাঝারি ও ছোট গরুর চাহিদা আছে, কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকায় ক্রেতারা ঠিকমতো হাটে আসতে পারছে না। যদি এমন থাকে তাহলে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।’

হাট সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃষ্টির কারণে শুধু বেচাকেনাই নয়, পুরো ব্যবস্থাপনায়ও চাপ তৈরি হয়েছে। কাদা-পানি জমে যাওয়ায় অনেক স্থানে পশু আনা-নেওয়াও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তবে ইজারাদারদের আশা, যদি বৃষ্টি থেমে যায়, তাহলে হাটে আবারও ভিড় বাড়বে এবং জমে উঠবে বেচাকেনা। কারণ ঈদের আগের দিন ও রাতে সাধারণত সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হয়, তাই এখনো পুরো পরিস্থিতি নিয়ে চূড়ান্ত হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই।

পড়ুন:ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট

দেখুন:ঘরে বসেই মাসে অর্ধ লক্ষ টাকা আয় করছেন সুমা!

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন