বিজ্ঞাপন

আল-আকসায় লাখো ফিলিস্তিনির ঈদের নামাজ আদায়

ইসলায়েল অধিকৃত জেরুজালেমের আল-আকসা মজিদ প্রাঙ্গণে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন ফিলিস্তিনিরা। চার দিনব্যাপী ঈদের প্রথম দিনে বুধবার (২৭ মে) ঈদের জামাতে অংশ নেন প্রায় দেড় লাখ ফিলিস্তিনি মুসলিম। আল-আকসা প্রাঙ্গণ কানায় কানায় পূর্ণ ছিল।

বিজ্ঞাপন

ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, অধিকৃত জেরুজালেমের পুরাতন শহরে ও আল-আকসা মসজিদ চত্বরে ইসরায়েলি দখলদার কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মসজিদ প্রাঙ্গণে ঈদের নামাজ আদায় করেন ১ লাখ ৪০ হাজার ফিলিস্তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, ঈদের আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী অধিকৃত পশ্চিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলীয় ফিলিস্তিনি শহরগুলোতে অভিযান চালিয়ে দোকান মালিকদের ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য করেছে। এ ছাড়া আবাসিক এলাকায় ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

ফিলিস্তিনি সরকার সরকারি কর্মচারীদের বেতনের কিছু অংশ কেটে দেওয়ার পরও, ঈদুল আজহার ছুটির কেনাকাটায় মানুষ শহরের বাজার ও কেন্দ্রগুলোতে অনেক ভিড় করছিল। ঠিক এই ব্যস্ত সময়েই অভিযানগুলো চালানো হয়।

বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, কঠোর ইসরায়েলি বিধিনিষেধের মধ্যে অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরনের ইব্রাহিমি মসজিদে সীমিত সংখ্যক ফিলিস্তিনি ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মসজিদের ফটকগুলো বন্ধ করে দেয় এবং প্রবেশপথে মুসল্লিদের তল্লাশি করে। এর ফলে মসজিদে ঢুকতে দেরি হওয়ায় অনেকে অন্য মসজিদে যেতে বাধ্য হন।

দুদিন আগে ইসরায়েলি বাহিনী মসজিদটির কাছে স্টান গ্রেনেডও নিক্ষেপ করে। এতে মুসল্লিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে ঈদের জামাতে মাত্র ৩০০ জন মুসল্লি উপস্থিত হতে পেরেছিলেন।

হেবরনের গভর্নর খালেদ জানান, ঈদুল আজহা মুসলমানদের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব। কিন্তু দখলদার বাহিনী ইব্রাহিমি মসজিদের দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। মুসল্লিদের ওপর স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে।

ঈদুল আজহা মূলত মহান আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইবরাহিম (আ.)-এর নিজের সন্তানকে কোরবানি করার প্রস্তুতির স্মরণে পালিত হয়। খ্রিস্টান ও ইহুদিদের কাছেও তিনি আব্রাহাম নামে পরিচিত। এই দিনে মুসলমানরা পশু কোরবানি করেন এবং সেই মাংস সমাজের দরিদ্র মানুষের মধ্যে বিতরণ করে থাকেন।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন