টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের ভাতকুড়া গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের পরিবারকে বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, প্রতিপক্ষ বাড়ির চারপাশে টিন ও বাঁশের বেড়া দিয়ে চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ায় তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছেন না।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভাতকুড়া গ্রামে ১১৫ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আদালতে মামলা চলছিল। সম্প্রতি আদালতের রায়ের পর আব্দুর রৌফ গং-১০১ শতাংশ জমির দখল বুঝে পান। অবশিষ্ট-১৪ শতাংশ জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন এক মাদ্রাসা শিক্ষক ও তার পরিবার।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, প্রায় এক সপ্তাহ আগে আব্দুর রৌফ পক্ষের লোকজন বাড়িতে এসে পরিবারের সদস্যদের মারধর করে এবং বাড়ির চারপাশে টিন ও বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলে। ফলে তারা কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। বাজারে যাওয়া, চিকিৎসাসেবা গ্রহণসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজেও চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও কোনো পরিবারকে এভাবে অবরুদ্ধ করে রাখা আইনসঙ্গত নয়। তারা দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম বলেন, কোনো ব্যক্তির চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে রাখার অধিকার কারও নেই। বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুর রৌফ বলেন, আদালতের রায়ে ১০১ শতাংশ জমি বুঝে পেলেও অবশিষ্ট ১৪ শতাংশ জমিও তাদের মালিকানাধীন। সে কারণেই জমির চারপাশে বেড়া দেওয়া হয়েছে।
এদিকে অবরুদ্ধ পরিবারের পক্ষ থেকে মির্জাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
স্থানীয়দের আশা, প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান হবে এবং ভুক্তভোগী পরিবার স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরে যেতে পারবে।
পড়ুন:ডিএসসিসির ৬৩টি ওয়ার্ড ডেঙ্গু ঝুঁকিতে, ২৭টি চরম ঝুঁকিপূর্ণ
দেখুন:ছোঁয়ার ম্যাডেস্ট ফ্যান কী করেছে ছোঁয়ার জন্য? | তারায় তারায় | তাবাসসুম ছোঁয়া
ইমি/


