ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বক্সনগর ইউনিয়নের বড় বক্সনগর চৌরাহাটি এলাকার বাসিন্দা নারায়ণ সরকারের (৪৮) মরদেহ নিখোঁজ হওয়ার আট দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। ঈদের দিন মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজছিলেন।
বৃহস্পতিবার সকালে আড়িয়ল বিলের একটি ডাঙার পাশে মরদেহটি দেখতে পান স্বজনরা। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নারায়নের স্ত্রী চম্পা রানী বলেন , গত ২৮ মে সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে নারায়ণ সরকার এবং তার দেবর জগদীশ সরকার মাছ ধরার উদ্দেশ্যে আড়িয়ল বিলে যান। দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে জগদীশ সরকার বাড়ি ফিরে এলেও নারায়ণ সরকার আর ফেরেননি। এরপর পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
পরে বিষয়টি নবাবগঞ্জ থানাকে অবহিত করে নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচারণা চালানো হয়।
নিখোঁজ নারায়ণ সরকারের বাড়ি নবাবগঞ্জ উপজেলার বক্সনগর ইউনিয়নের বড় বক্সনগর গ্রামে। তার পিতা নরেশ সরকার এবং মাতা মেঘা রানী সরকার। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে নীল রঙের গেঞ্জি ও কালো রঙের প্যান্ট ছিল বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
স্থানীয়দের ধারণা, মাছ ধরার সময় কোনো দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা যেতে পারেন। অথবা পানিতে তলিয়ে যেতে পারেন। নানাজনে নানা কথা বলছেন। এনিয়ে রহস্যজনক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দোহার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শামীম হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
দীর্ঘ আট দিন নিখোঁজ থাকার পর নারায়ণ সরকারের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
পড়ুন:মাদারগঞ্জে তীব্র দাবদাহে কৃষকের মৃত্যু, দুই দিনে হিটস্ট্রোকে প্রাণ গেল ২ জনের
দেখুন:ছোঁয়ার ম্যাডেস্ট ফ্যান কী করেছে ছোঁয়ার জন্য? | তারায় তারায় | তাবাসসুম ছোঁয়া
ইমি/


