বিজ্ঞাপন

সাধারণ পরিষদে সভাপতি নির্বাচিত: এই বিজয় বাংলাদেশের গণতন্ত্রের

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফেরার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, এই বিজয় বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বিজয়। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি যদি এই সিদ্ধান্ত না নিতেন এবং দৃঢ়ভাবে, অবিচলভাবে ও বিরোধহীনভাবে আমাদের সমর্থন না করতেন, তাহলে ১০ বছরের এই পথ ১০ সপ্তাহে আমরা অতিক্রম করতে পারতাম না।

তিনি বলেন, আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সব কর্মকর্তা এবং বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত ব্যক্তিরা নিরলসভাবে কাজ করেছেন।আমাদের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা-আমরা যে টিম স্পিরিট নিয়ে কাজ করেছি, এই বিজয়ের পেছনে তার অবদান ছিল বিপুল। এই বিজয় আমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের কাছে উৎসর্গ করছি।

এখন ছুটিতে যাবেন কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এত ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই। আজ থেকে ৪০ বছর আগে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমি তার একান্ত সচিব ছিলাম এবং তার সঙ্গে কাজ করেছি। তিনি দুই পদেই পূর্ণকালীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পেরেছেন। তখন ছিল ইন্টারনেট-পূর্ব যুগ। কিন্তু এখন নিরবচ্ছিন্নভাবে দুটি দায়িত্বই একসঙ্গে পালন করা সম্ভব। এটা এখন খুবই স্বাভাবিক।

এ সময় এক সাংবাদিক বলেন, আমরা চাই আপনি দুটি পদেই থাকুন। এর জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়টি আমি আগেও পরিষ্কার করেছি। অনেকেই বলেছেন, বর্তমানে যিনি আছেন- জার্মানির প্রতিনিধি, তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু ওই পদ ছেড়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। আসলে বিষয়টি হলো, তিনি গ্রিন পার্টির নেতা ছিলেন। তার দল নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় তিনি আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে থাকতে পারেননি।

গত ২ জুন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হন। জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সাইপ্রাসের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করে বিজয়ী হন তিনি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন