কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনায় আহত ৫ বাংলাদেশির শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন।
বুধবার (৩ জুন) ভোরে সংঘটিত এই হামলায় আহতদের চিকিৎসার সার্বিক তদারকি করতে তিনি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।
হামলার ঘটনায় আহত ৫ বাংলাদেশির মধ্যে বর্তমানে ৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে শারমিন আখতার গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। এবং মো. রাসেল শেখ ও মো. খলিল গাজীকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এবং শিরিন আখতার এবং মো. শরিফুল ইসলাম প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ইতোমধ্যে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।আহতরা বর্তমানে কুয়েতের ফারওয়ানিয়া হাসপাতাল এবং আল-সাবাহ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
হাসপাতালে আহতদের শয্যাপাশে গিয়ে তাদের সাথে কথা বলেন রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন। তিনি তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাষ্ট্রদূত জানান, আহতদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দূতাবাস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে। এছাড়া প্রয়োজনে রক্তদানসহ সব ধরনের মানবিক সহায়তা প্রদানে দূতাবাস বদ্ধপরিকর।
বুধবার ভোরের ওই ড্রোন হামলায় কুয়েত বিমানবন্দরের ১ নম্বর টার্মিনাল ভবনটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলায় অন্তত ৬৩ জন আহত হয়েছেন এবং একজন ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন।
ঘটনার পর বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও বর্তমানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কিছু ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হয়েছে। কুয়েত সরকার পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ করছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় প্রবাসীদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক থাকলেও, বাংলাদেশ দূতাবাস নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছে এবং সকল প্রবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
পড়ুন: দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবি: চালক-সহকারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি


