বিজ্ঞাপন

ফকিরহাটে ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় কথিত চাচা আটক

বাগেরহাটের ফকিরহাটে চার বছরের এক কন্যাসন্তানকে ধর্ষণের অভিযোগে মোঃ মোজাহিদ শেখ (৪০) নামের এক প্রতিবেশীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ফকিরহাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) রাতে উপজেলার বৈলতলী গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মোজাহিদ ওই গ্রামের মৃত গাউস শেখের ছেলে।

​মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি গণশিক্ষা স্কুলের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে অভিযুক্ত মোজাহিদ শিশুটিকে মাঝেমধ্যে খাবার কিনে দিত এবং আদর করত। শিশুটিও তাকে ‘কাকা’ বলে ডাকত। গত ৩ জুন (বুধবার) দুপুর অনুমান ১.০০ ঘটিকার সময় মোজাহিদ ওই শিশুকে পার্শ্ববর্তী জামাল ঢালীর পুকুরে গোসল করাতে নিয়ে যায়। গোসল করিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার পর, বিকেল আনুমানিক ৩.৩০ ঘটিকার সময় শিশুটি প্রস্রাব করতে গিয়ে তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করে।

​জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি তার মাকে জানায়, গোসল করানোর সময় মোজাহিদ চাচা তার ওপর পাশবিক ও যৌন নির্যাতন চালিয়েছে। এর আগেও কোরবানির ঈদের ২/৩ দিন আগে শিশুটির কথায় বিষয়টি আংশিক প্রকাশ পেলেও লোকলজ্জার ভয়ে পরিবার তখন পদক্ষেপ নেয়নি। তবে এবার শিশুটির মুখে নির্মমতার কথা শুনে মা তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি তার স্বামী ও আত্মীয়-স্বজনদের জানান। ঘটনাটি জানাজানি হলে ৪ জুন রাতে বৈলতলী গ্রামের একটি চায়ের দোকানের সামনে স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত মোজাহিদকে আটকে রেখে পুলিশে সংবাদ দেয়।

​ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম জানান, ​গতকাল রাতে বিষয়টি জানতে পারার পরপরই আমি নিজে সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই এবং আসামি মোজাহিদ শেখকে গ্রেফতার করে থানা হেফাজতে নিয়ে আসি। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী শিশুর পিতার লিখিত এজাহারের প্রেক্ষিতে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা রুজু করা হয়েছে, যার মামলা নং- ০৩, তারিখ: ০৪/০৬/২০২৬ খ্রিঃ। মামলার সকল আইনি প্রক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : দৌলতদিয়ায় ফেরিঘাটে নদীতে পড়ল যাত্রীবাহী বাস

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন