বিজ্ঞাপন

দিনাজপুরে সাইনিং লাইফ বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের স্কুল ও থেরাপি সেন্টারে চলমান কার্যক্রমের উদ্বোধন

দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপ্যাল ডাঃ মোঃ সাদেক আলী বলেছেন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য অত্যাধুনিক, বিজ্ঞান সম্মত ও পরিবেশ বান্ধব স্কুল ও থেরাপি সেন্টারের যাত্রা শুরু হলো সাইনিং লাইফ এর কার্র্যক্রম উদ্বোধনের মাধ্যমে। উত্তরবঙ্গে এ ধরনের মান সম্মত থেরাপি সেন্টার না থাকার কারণে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের ঢাকা বা বিদেশে পাঠাতো। বিশেষ করে অটিজম ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সুস্থ জীবন যাপনের মাধ্যমে এই থেরাপি সেন্টার বিশেষ অবদান রাখবে। এখানে যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও দক্ষ থেরাপি বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় এই থেরাপি সেন্টার একদিন বাংলাদেশের মধ্যে একটি মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আমার বিশ্বাস।

বিজ্ঞাপন


৬ জুন শনিবার বিএনএসবি চক্ষু হসপিটাল রোড সংলগ্ন ৩তলা বিশিষ্ট ভবনে ব্রেইন ফাউন্ডেশন এর পরিচালনায় এই প্রথম সাইনিং লাইফ বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের স্কুল ও থেরাপি সেন্টার এর চলমান কার্যক্রমের উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন।

ব্রেইন ফাউন্ডেশন দিনাজপুরের সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ সারওয়ার মোর্শেদ আলমের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক জামিরুল ইসলাম জুয়েল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্রেইন ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডাঃ শফিকুর রহমান তরুণ, কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধক্ষ্য হাফিজুর রহমান জেমি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুক্তি যোদ্ধা কমান্ডার মোকশেদ আলী মঙ্গোলীয়া, ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টার দিনাজপুরের সভাপতি ডাঃ মোঃ হাফিজুল ইসলাম, ডাঃ মহিবুর হোসেন নিরব, ডাঃ মাস্তুরা বেগম, ডাঃ মোঃ জিয়ায়ুল হক, সহকারী অধ্যাপক ডাঃ কাওমী, ডাঃ রইছ উদ্দিন আহম্মেদ। এছাড়া আকুপেশন্যাল থেরাপি (ওটি) মোঃ শামিম রহমান নাজু , স্পিস থেরাপি মোঃ রাহাত, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার চৌধুরী। উপস্থিত রোগীদের অভিভাবকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন হাবিপ্রবি‘র প্রফেসর ড. সফিকুজ্জামান ও রুমানা আরাফাত। সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন মোঃ আদনান জুলফিকার ও মোঃ হাসিনুজ্জামান।

পড়ুন- মরণোত্তর জাতিসংঘ পদকে ভূষিত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন