বিজ্ঞাপন

মদনপুরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজে একই পরিবারের চারজনসহ  দগ্ধ ৫, ২ জনের অবস্থা আশংকাজনক

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় সিলিন্ডার গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের আগুনে একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক (আরএস) ডা. শাওন বিন রহমান জানান, গুরুতর দগ্ধ সুলতানার শরীরের ৯০ শতাংশ, সায়েমের ৭৭ শতাংশ, মিমের ৪১ শতাংশ, আব্দুল মান্নানের ৩০ শতাংশ এবং হযরত আলীর ৮ শতাংশ পুড়ে গেছে। একই সঙ্গে কয়েকজনের শ্বাসনালীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গুরুতর আহত চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হযরত আলীকে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স জোন-২ এর উপ-সহকারী পরিচালক মো. ওসমান গনি জানান, বন্দর উপজেলার চানপুর এলাকার আখতার হোসেনের একতলা বাড়ির একটি দুই কক্ষবিশিষ্ট ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া ছিলেন আব্দুল মান্নান। পরিবার নিয়ে তিনি সেখানে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছিলেন। তারা মূলত লাইনের গ্যাস ব্যবহার করলেও বিকল্প হিসেবে ঘরের ভেতরে একটি সিলিন্ডার গ্যাসের বোতল রেখেছিলেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সিলিন্ডারের পাইপলাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস বের হয়ে ঘরের ভেতরে জমাট বেঁধেছিল। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ঘরে দিয়াশলাই বা আগুন জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একই পরিবারের চারজনসহ পাঁচজন দগ্ধ হন। আহতদের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে। তারা আগুন ও বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখছে।

স্থানীয় দোকানদার অনিক জানান, বিস্ফোরণের পরপরই দগ্ধরা চিৎকার করতে করতে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অ্যাম্বুলেন্সে করে তাদের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। তার ধারণা, দরজা-জানালা বন্ধ ঘরে গ্যাসের লিকেজ থেকে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

পড়ুন:দীর্ঘ বিরতির পর অভিনয়ে ফিরতে চান এনা

দেখুন:জমি বিক্রি করে ৭.৫ কি. মি. জার্মান পতাকা বানালেন আমজাদ!

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন