বিজ্ঞাপন

জিও এবং পিএসপি ব্যাগ দিয়ে পদ্মার ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে না

রাজশাহীতে উজানের পানিতে পদ্মার নদী ভাঙ্গন,পিএসপি ও জিও ব্যাগ দিয়ে প্রতিরোধে সরকারী বরাদ্দের টাকা জলেই চলে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ওই সময় জিও এবং পিএসপি ব্যাগ দিয়ে এই প্রতিরোধ সম্ভব হচ্ছেনা।

বিজ্ঞাপন

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার পিরোজপুর, গোপালপুরসহ নদী তীরবর্তী এলকায় উজানের পানি বৃদ্ধিতে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ১০-১২ হাজার বালি ভর্তি জিও ব্যাগ দিয়ে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ করার কর্মসূচী শুরু হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড যার ব্যায় ধরেছে ৫৮ লক্ষ টাকা। কিন্ত এই ব্যাগে নদী ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। উজানের পানির পদ্মায় প্রবেশের কারনে নদীর পানি বৃদ্ধি এবং স্রোতে পাড়ের মাটি কেটে চলে যাচ্ছে। যার কারনে জিও ব্যাগ গুলো নদীর গভিরে চলে যাচ্ছে।

নদী ভাঙ্গ এলাকায় পরিদর্শন গিয়ে দেখা যায়, প্রতিনিয়ত পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে চরের বালি দিয়ে নদী ভাঙ্গন রোধ করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয়রা বলেন, শত শত বিঘা চাষাবাদের জমি, বসত ঘরসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে। তবে তাদের দাবি টেকশয় বাঁধ নির্মাণ না করলে শেষ বাড়ি ভিটাও হারিয়ে যাবে।

নদীর তীরবর্তীর স্থানীয়রা জানায়, তাদের একসময় অনেক চাষাবাদের জমি ছিল। বর্তমান ভারতের বিএসএফ এর পোষ্ট এদেশের সীমান। প্রায় ২-৩ কিঃ মিঃ দূরে এই নদীর অবস্থান ছিল। কিন্ত কালের বিবর্তনে পদ্মা নদী এখন বাড়ির আঙ্গিনায় ।

চারঘাট পৌর যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও ব্যবসায়ী আব্দুস সালেক আদিল জানায়, বর্তমান চারঘাট-বাঘার এমপির উদ্দ্যোগে সম্প্রতী জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এই ব্যাগ সাময়িক ভাঙ্গন রোধের জন্য স্থায়ী নই। আগামীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে কাজ করা হবে।

উপজেলা বিএনপি জাকিরুল ইসলাম বিকুল বলেন, নদী ভাঙ্গন চলমান রয়েছে পৌরসভার মধ্যে। এই উপজেলা এবং পৌরসভার অনেক মানুষ জমি হারিয়ে এখন অন্যের জমিতে চাষাবাদ করে তাদের দৈনন্দিন চাহিদা পূরনের চেষ্টা করছে। এই এলাকার এমপি দ্রুতই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে চেষ্টা চলমান রেখেছেন।

রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল রহমান অঙ্কুর বলেন, নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে জিও এবং পিএসপি ব্যাগ ফেলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামীতে টেকশয় বাঁধ নির্মাণে কাজ করা হবে।

চারঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নতুল ফেরদৌস বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বলা হয়েছে। তারা প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহন করবে। এমপি আবু সাইদ চাঁদ বলেন, তিনি নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। প্রাথমিক ভাবে জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। খুব শিগ্রই স্থায়ী বাঁধ নিমার্ণে প্রচেষ্টা অব্যহত রয়েছে।

পড়ুন- উপদেষ্টা জাহেদকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা, ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন