ষষ্ঠ দল হিসেবে এবারের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত করলো কাতার। গ্রুপ ‘বি’–এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সিয়াটলে বসনিয়ার কাছে ৩-১ গোলের হারে কাতার বিদায় নিল। প্রথমার্ধে ২-১ গোলে পিছিয়ে ছিল কাতার। দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে আরও ১ গোল হজম করেছে গতবারের বিশ্বকাপের আয়োজকরা।
ফলে বিশ্বকাপের ছয় ম্যাচ খেলে কোনো জয়ই পেল না দুইবারের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। ২০২২ বিশ্বকাপেও তারা কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি। তৃতীয় দল হিসেবে নক আউট পর্বে যাওয়ার সুযোগ উন্মুক্ত রাখল বসনিয়া। ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে তাদের অবস্থান।
এর আগে বসনিয়া ও কাতার একটি করে ম্যাচ হেরেছিল এবং অন্য এক ম্যাচে ড্র করেছিল। শেষ ম্যাচে প্রত্যাশামাফিক পারফর্ম করে বসনিয়া নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করেছে। ম্যাচের পর তাদের উল্লাসই বলে দিচ্ছিল, তারা নিজেদের মিশনে সাকসেসফুল। একই সঙ্গে ভিক্টোরি ল্যাপ দিয়ে ভক্তদের ভালোবাসা ফিরিয়ে দিয়েছেন বসনিয়ার ফুটবলাররা।
ম্যাচে সবচেয়ে বেশি আলো কেড়েছেন বসনিয়ার ১৮ বছর বয়সী উইঙ্গার কেরিম আলাইবেগোভিচ। দলের পক্ষে তার করা প্রথম গোলটি ছিল অসাধারণ। ২৯ মিনিটে লিড পায় বসনিয়া। আলাইবেগোভিচ বিশ্বমঞ্চে নিজের আগমনের ঘোষণা দেন বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গোল করে। বাম প্রান্তের উইঙ্গার ভেতরের দিকে কেটে ঢুকে পড়েন। কাতারের দুই খেলোয়াড়কে দারুণ দক্ষতায় পরাস্ত করেন চোখের পলকে। এরপর ডান পায়ে বজ্রগতির শট নেন। বলটি সোজা জালের ওপরের কোণে গিয়ে আছড়ে পড়ে। অপ্রতিরোধ্য।
এরপর ম্যাচের ৩৮ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে কাতার পিছিয়ে যায়। আল ব্রেকের আত্মঘাতী গোলে বসনিয়া লিড দ্বিগুন করে। কোলাশিনাচের ক্রস জোকো বক্সের ভেতরে ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বলটি আল ব্রেকের গায়ে লেগে দিক পাল্টে ফেলে। নিচের ডান কোণের জালে গড়িয়ে ঢুকে পড়ে।
গোল শোধে মরিয়া কাতার ৪২ মিনিটে ব্যবধান কমায়। ডানপ্রান্ত থেকে মিগুয়েল একটি নিখুঁত ক্রস দেন বক্সের ভেতরে। বলটি গিয়ে পৌঁছায় পেছনের পোস্টে থাকা এডমিলসনের কাছে। ঠান্ডা মাথায় বলটি আল হাইদোসের জন্য সাজিয়ে দেন। কয়েক গজ দূর থেকে সহজ ট্যাপ-ইনে বল জালে জড়িয়ে দেন আল হাইদোস। দূর্বল রক্ষণে গোল হজম করতে হয় বসনিয়াকে।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে কাতার তাদের রক্ষণকে আর ভাঙতে পারেনি। উল্টো গোল হজম করে ম্যাচের ৮০ মিনিটে। এরমিন মাহমিচ দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন। রাদেলজিচের বাঁ পায়ের শট কাতারের ডিফেন্ডাররা ব্লক করেন। বল গড়িয়ে যায় হাদজিকাদুনিচের কাছে। তিনি বল বাড়িয়ে দেন মাহমিচের উদ্দেশে।
বাকি কাজটুকু দারুণ দক্ষতয় সারেন মাহমিচ। ডান পায়ের শটে কাতারের গোলরক্ষক আবুনাদাকে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন। গোলের পর শার্ট খুলে দর্শকদের একেবারে নাগালে গিয়ে গোল আনন্দে মেতে উঠেন মাহমিচ।
শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের লিড নিয়ে বসনিয়া অসাধারণ জয় পায়। ম্যাচটায় তারা বেশ আধিপত্য দেখিয়েছে। ৫৫ শতাংশ বল নিজেদের কাছে রেখে গোলমুখে ১৫টি শট নিয়েছে। অন্যদিকে কাতার ৪৫ শতাংশ বল দখলে নিয়েও গোলমুখে শট করতে পেরেছে মাত্র ৩টি।
ফলে বিশ্বকাপের ছয় ম্যাচ খেলে কোনো জয়ই পেল না দুইবারের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। ২০২২ বিশ্বকাপেও তারা কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি। তৃতীয় দল হিসেবে নক আউট পর্বে যাওয়ার সুযোগ উন্মুক্ত রাখল বসনিয়া। ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে তাদের অবস্থান।
এর আগে বসনিয়া ও কাতার একটি করে ম্যাচ হেরেছিল এবং অন্য এক ম্যাচে ড্র করেছিল। শেষ ম্যাচে প্রত্যাশামাফিক পারফর্ম করে বসনিয়া নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করেছে। ম্যাচের পর তাদের উল্লাসই বলে দিচ্ছিল, তারা নিজেদের মিশনে সাকসেসফুল। একই সঙ্গে ভিক্টোরি ল্যাপ দিয়ে ভক্তদের ভালোবাসা ফিরিয়ে দিয়েছেন বসনিয়ার ফুটবলাররা।
ম্যাচে সবচেয়ে বেশি আলো কেড়েছেন বসনিয়ার ১৮ বছর বয়সী উইঙ্গার কেরিম আলাইবেগোভিচ। দলের পক্ষে তার করা প্রথম গোলটি ছিল অসাধারণ। ২৯ মিনিটে লিড পায় বসনিয়া। আলাইবেগোভিচ বিশ্বমঞ্চে নিজের আগমনের ঘোষণা দেন বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গোল করে। বাম প্রান্তের উইঙ্গার ভেতরের দিকে কেটে ঢুকে পড়েন। কাতারের দুই খেলোয়াড়কে দারুণ দক্ষতায় পরাস্ত করেন চোখের পলকে। এরপর ডান পায়ে বজ্রগতির শট নেন। বলটি সোজা জালের ওপরের কোণে গিয়ে আছড়ে পড়ে। অপ্রতিরোধ্য।
এরপর ম্যাচের ৩৮ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে কাতার পিছিয়ে যায়। আল ব্রেকের আত্মঘাতী গোলে বসনিয়া লিড দ্বিগুন করে। কোলাশিনাচের ক্রস জোকো বক্সের ভেতরে ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বলটি আল ব্রেকের গায়ে লেগে দিক পাল্টে ফেলে। নিচের ডান কোণের জালে গড়িয়ে ঢুকে পড়ে।
গোল শোধে মরিয়া কাতার ৪২ মিনিটে ব্যবধান কমায়। ডানপ্রান্ত থেকে মিগুয়েল একটি নিখুঁত ক্রস দেন বক্সের ভেতরে। বলটি গিয়ে পৌঁছায় পেছনের পোস্টে থাকা এডমিলসনের কাছে। ঠান্ডা মাথায় বলটি আল হাইদোসের জন্য সাজিয়ে দেন। কয়েক গজ দূর থেকে সহজ ট্যাপ-ইনে বল জালে জড়িয়ে দেন আল হাইদোস। দূর্বল রক্ষণে গোল হজম করতে হয় বসনিয়াকে।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে কাতার তাদের রক্ষণকে আর ভাঙতে পারেনি। উল্টো গোল হজম করে ম্যাচের ৮০ মিনিটে। এরমিন মাহমিচ দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন। রাদেলজিচের বাঁ পায়ের শট কাতারের ডিফেন্ডাররা ব্লক করেন। বল গড়িয়ে যায় হাদজিকাদুনিচের কাছে। তিনি বল বাড়িয়ে দেন মাহমিচের উদ্দেশে।
বাকি কাজটুকু দারুণ দক্ষতয় সারেন মাহমিচ। ডান পায়ের শটে কাতারের গোলরক্ষক আবুনাদাকে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন। গোলের পর শার্ট খুলে দর্শকদের একেবারে নাগালে গিয়ে গোল আনন্দে মেতে উঠেন মাহমিচ।
শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের লিড নিয়ে বসনিয়া অসাধারণ জয় পায়। ম্যাচটায় তারা বেশ আধিপত্য দেখিয়েছে। ৫৫ শতাংশ বল নিজেদের কাছে রেখে গোলমুখে ১৫টি শট নিয়েছে। অন্যদিকে কাতার ৪৫ শতাংশ বল দখলে নিয়েও গোলমুখে শট করতে পেরেছে মাত্র ৩টি।


