জামালপুরে ১৫ কেজি গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে পৌর শহরের উত্তর কুটুরিয়া এলাকায় শেরপুর ব্রিজ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জামালপুর জেলা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার জয়নাথপুর ইউনিয়নের বড়টোডা বিশনাউড়ি এলাকার ফুল মিয়ার ছেলে আক্তার হোসেন (৪৫), শেরপুর জেলার কুড়িকাহনিয়া ইউনিয়নের কুরুয়া ভাটিপড়া এলাকার আব্দুল মতিনের ছেলে মনির হোসেন (৪৬), একই এলাকার তসর উদ্দিন সরকারের ছেলে বিল্লাল হোসেন (৫৫) ও কুরুয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার আব্দুল গফুরের ছেলে সাগর (৩০)।
পুলিশ জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা খবর পায় যে, শেরপুর জেলা থেকে একটি প্রাইভেটকারে বিপুল পরিমাণ গাঁজা জামালপুর শহরের দিকে আনা হচ্ছে। পরে জামালপুর সদর থানার একটি টিম জামালপুর পৌরসভার উত্তর কুটুরিয়া এলাকায় শেরপুর ব্রিজের দক্ষিণ পাশে জামালপুর-শেরপুর মহাসড়কে পুলিশ চেক পোস্ট বসায়। চেক পোস্টে সন্দেহভাজন একটি সাদা রঙের টয়েটা প্রবোক্স প্রাইভেটকার থামানোর সংকেত দিলে গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ তাদের আটক করে।
পরে গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডারের নিচে বিশেষভাবে নির্মিত স্টিলের বক্স তল্লাশি করে খাকি কস্টেপে মোড়ানো ৬ টি প্যাকেটে মোট ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় তিন লক্ষ টাকা। এ ঘটনায় জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
জামালপুর জেলার পুলিশ সুপার মোছা: ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জামালপুর জেলা পুলিশের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। মাদক কারবারি ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং বিশেষ অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। সমাজকে মাদকের অভিশাপ থেকে রক্ষা করতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। যে কেউ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি মাদকের উৎস ও নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে সম্পূর্ণ চক্রকে বিচারের আওতায় আনতে জেলা পুলিশের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
পড়ুন : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন


