বিজ্ঞাপন

মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে জনগণের সহযোগিতা চাইল দারুস সালাম থানা পুলিশ

দারুস সালাম থানাধীন আনন্দনগর খালপাড় এলাকায় মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনগণের মতামত জানার লক্ষ্যে ‘ওপেন হাউস ডে’ আয়োজন করেছে দারুস সালাম থানা পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২৭ জুন) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। এ সময় তারা অভিযোগ করে বলেন, মাদক কারবারিদের কারণে এলাকায় স্বাভাবিকভাবে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রকাশ্যে ও গোপনে মাদক কেনাবেচা চলছে। তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে এলাকার সামাজিক পরিবেশ দিন দিন নষ্ট হচ্ছে।

এ সময় দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন বলেন, “আমি নিজে এলাকায় এসে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেছি এবং অনেককে আটক করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে শুধু পুলিশের অভিযানই যথেষ্ট নয়, আমাদের সবার মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আমরা মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে চাই। এছাড়া কাউকে বাসা ভাড়া দেওয়ার আগে থানার নির্ধারিত তথ্য ফরম পূরণ করে যাচাই-বাছাইয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।”

দারুস সালাম জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) এমদাদ হোসেন বিপুল বলেন, “মাদক নির্মূল করা পুলিশের দায়িত্ব হলেও সমাজের প্রতিটি মানুষেরও এ বিষয়ে দায়িত্ব রয়েছে। আমরা ২৪ ঘণ্টা জনগণের সেবায় নিয়োজিত আছি। যেকোনো সময় আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে। মাদক মামলার আসামিদের পক্ষে কেউ সুপারিশ করবেন না, কারণ এতে মাদক বিস্তারের সুযোগ আরও বেড়ে যায়।”

অনুষ্ঠানে মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) সালেহ আহমেদ জাকারিয়া বলেন, “কিশোর গ্যাং দমন ছাড়া মাদক নির্মূল পুরোপুরি সম্ভব নয়। এলাকার কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারিদের বিষয়ে গোপনে তথ্য দিন। সে যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা হয়তো সবসময় এখানে থাকব না, কিন্তু এলাকাবাসী স্থায়ীভাবে এখানে বসবাস করবেন। তাই রাষ্ট্রীয় সংস্থা ও জনগণ একসঙ্গে কাজ করলে মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন- ইতালিতে বাসায় ঢুকে বাংলাদেশি পরিবারের ৩ জনকে হত্যা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন