বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারল বাংলাদেশ

দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের জন্য শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৫ রান। এমন সমীকরণের সামনে মারুফা আক্তারের ওপরই ভরসা রাখেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। দলের সেরা বোলার বলেই হয়তোবা ৫ রান নিয়েও কিছুটা আশা দেখেছিলেন অধিনায়ক। কিন্তু প্রথম বলেই বাউন্ডারি হজম করেন মারুফা। পরের বলেই এক রান নিয়ে জয়ের সমীকরণ মেলান চার্লি ট্রায়ন। তাতে জয়ের কাছাকাছি গিয়েও আরও একবার হারে বাংলাদেশ।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে লর্ডসে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৭ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন সুবহানা মোস্তারি। জবাবে ১৯ ওভার ২ বলে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

ইনিংসের প্রথম বলেই লরা উলভার্টকে বোল্ড করেন মারুফা আক্তার। এমন শুরুর পর সেটা ধরে রাখতে চেষ্টা করে বাংলাদেশ। তাজমিন ব্রিটস, আনেরিন ড্রেকসনরা উইকেটে থিতু হলেও হাত খুলে শট খেলতে পারেননি। ব্রিটস করেছেন ২৪ বলে ২০ রান, আর ড্রেকসনের ব্যাট থেকে এসেছে ৪৫ বলে ৪৫ রান।

শেষদিকে নাদান ডে ক্লার্ক ও চার্লি ট্রায়ন ঠাণ্ডা মাথায় খেলে সমীকরণ মিলিয়েছেন। ডে ক্লার্ক করেছেন ১৪ বলে ১৫ রান, আর ট্রায়ন ৫ বলে ৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন।

বাংলাদেশের হয়ে ২৪ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেছনে নাহিদা আক্তার। এ ছাড়া একটি করে উইকেট পেয়েছেন রিতু মণি, মারুফা ও সানজিদা আক্তার মেঘলা।

এর আগে ব্যাটিংয়ের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। মারিজায়ানা কাপের করা ইনিংসের প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। দুর্দান্ত এক ইয়র্কারে লাইন মিস করে বোল্ড হয়েছেন এই ওপেনার। আরেক ওপেনার তাজনেহারও সুবিধা করতে পারেননি। তার ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র এক রান।

দুই ওপেনারের ব্যর্থতার পর দলের হাল ধরেন সুবহানা মোস্তারি ও শারমিন আক্তার। কিন্তু দুজনই বেশ ধীরগতির ব্যাটিং করেছেন। মাঝের ওভারে গিয়ার পরিবর্তন করতে গিয়ে ফিরেছেন তারা। ২৯ বলে ২২ রান করেন শারমিন, আর মোস্তারি করেছেন ৪৮ বলে ৪২ রান।

শেষদিকে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন জ্যোতি। অধিনায়কের ২০ বলে ৩২ রানের ইনিংসে ভর করেই লড়াইয়ের পুঁজি পায় দল।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন