নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়ন এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় গত সাড়ে তিন মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মাদক, ছিনতাই, ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধ দমনে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার ফলে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা কমেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন কলাগাছিয়া ইউনিয়ন ও নাসিকের ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ইন্সপেক্টর নুরুল ইসলাম বলেন, “মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আমি ও আমার টিম আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। গত প্রায় সাড়ে তিন মাসে অসংখ্য মাদক মামলার আসামি, ছিনতাইকারী, খুন মামলার আসামি, ডাকাতি প্রস্তুতির আসামি এবং পুলিশ অ্যাসল্ট মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিয়মিত টহল ও অপরাধবিরোধী অভিযান পরিচালনার ফলে কলাগাছিয়া ইউনিয়ন ও নাসিকের ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নতি হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমার দায়িত্বকালীন সময়ে কোনো নিরীহ ব্যক্তিকে হয়রানি করা হয়নি। এ বিষয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে খোঁজ নিলেই প্রকৃত তথ্য জানা যাবে। অপরাধ দমনে পুলিশের অবস্থান সবসময় কঠোর ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।”
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত একটি সংবাদের বিষয়ে তিনি প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট সংবাদটি যথাযথ তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়াই প্রকাশ করা হয়েছে এবং সংবাদ প্রকাশের আগে তাঁর কোনো বক্তব্য বা মন্তব্য গ্রহণ করা হয়নি। তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনকালে অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণের কারণে একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তাঁর পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি যেকোনো অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণের আহ্বান জানান।
পড়ুন : পটিয়ার আলোচিত জায়হান হত্যা: ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার প্রধান আসামির


