বিজ্ঞাপন

এবার এশিয়ার মঞ্চে বাংলাদেশের নারী ক্লাব ফুটবল

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এবার এশিয়ার মঞ্চে বাংলাদেশের নারী ক্লাব ফুটবল। রাজশাহী স্টারস এফসির সামনে কঠিন পরীক্ষা, তবে সেই সঙ্গে রয়েছে নতুন ইতিহাস গড়ার হাতছানি। ইস্ট বেঙ্গল, সাবাহ এফএ আর রোভার্স এফসিকে টপকে পরের পর্বে ওঠার স্বপ্ন নিয়েই আগস্টে মালয়েশিয়ার পথে উড়াল দেবে বাংলাদেশের প্রথম এএফসি নারী ক্লাব প্রতিনিধি।

ইতিহাসের মঞ্চে উঠছে রাজশাহী স্টারস এফসি। মালয়েশিয়ায় ইস্ট বেঙ্গল-সাবাহ-রোভার্সের চ্যালেঞ্জ নিতে চায় এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে লাল-সবুজের প্রথমবারের মত খেলার যোগ্যতা অর্জনকারী দলটি। যার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের নারী ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে রাজশাহী স্টারস এফসি।

এএফসি উইমেন্স চ্যালেঞ্জ লিগে দেশের প্রথম প্রতিনিধি হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নামছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল লিগের চ্যাম্পিয়ন দলটি।
ড্র অনুযায়ী, প্রিলিমিনারি স্টেজের গ্রুপ ‘এ’-তে রাজশাহী স্টারস এফসির প্রতিপক্ষ ভারতের ইস্ট বেঙ্গল, স্বাগতিক মালয়েশিয়ার সাবাহ এফএ এবং গুয়ামের রোভার্স এফসি।

আগামী ১৭ থেকে ২৩ আগস্ট মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে এই গ্রুপের সব ম্যাচ। কাগজে-কলমে এটি সহজ কোনো গ্রুপ নয়। ভারতের ইস্ট বেঙ্গল সাম্প্রতিক সময়ে নারী ফুটবলে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে এবং শক্তিশালী স্কোয়াড গড়ে তুলেছে। স্বাগতিক হওয়ায় সাবাহ এফএ পাবে ঘরের মাঠের সুবিধা, দর্শকদের সমর্থন এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বাড়তি সুবিধা। অন্যদিকে গুয়ামের রোভার্স এফসি তুলনামূলক কম আলোচিত হলেও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় কোনো দলকেই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। ফলে প্রতিটি ম্যাচই হবে সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তবে চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি রয়েছে সম্ভাবনাও। বাংলাদেশ জাতীয় দলের পরিচিত মুখ রিতু, শিউলি, আলপিদের অভিজ্ঞতা এবং দেশীয় লিগে গড়ে ওঠা দলীয় সমন্বয় রাজশাহী স্টারসকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে। ক্লাব কর্তারা জানিয়েছেন, পুরোনো খেলোয়াড়দের প্রাধান্য দিয়েই দল গঠন করা হবে। তবে বিদেশি কোটায় নতুন মুখও দেখা যেতে পারে।

বাংলাদেশ নারী ফুটবল লিগে রাজশাহী স্টারসের হয়ে খেলা দুই নেপালি ফুটবলারকে নিয়েও ভাবনা রয়েছে রেশম নগরীর দলটির।

প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি হিসেবে ঢাকার বাইরে আবাসিক ক্যাম্প করার পরিকল্পনাও নিয়েছে ক্লাবটি। আন্তর্জাতিক মানের প্রস্তুতির মাধ্যমে দলকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে চায় বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নরা।

এবারের প্রিলিমিনারি স্টেজে এশিয়ার ২৪টি ক্লাব ছয়টি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। প্রতিটি গ্রুপের সেরা দল পরবর্তী পর্বে উঠবে, যেখানে গত আসরের সেরা ছয়টি ক্লাব সরাসরি গ্রুপ পর্বে অপেক্ষা করছে।

রাজশাহী স্টারসের সামনে তাই শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, বাংলাদেশের নারী ক্লাব ফুটবলের জন্য নতুন ইতিহাস লেখার সুযোগ। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের পতাকা উড়িয়ে রিতু-শিউলি-আলপিরা কতটা দূর যেতে পারেন, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : দেশজুড়ে ফ্রিল্যান্সিং কোর্সের উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন