বিজ্ঞাপন

শিক্ষাঙ্গন ও শিল্পখাতের সেতুবন্ধনে অনুষ্ঠিত হলো ‘টেক্সটাইল ইয়ুথ কার্নিভাল ২.৬’

শিক্ষাঙ্গনের পাঠ্যজ্ঞানকে বাস্তব শিল্পখাতের অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ফিল্ম আর্কাইভে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ টেক্সটাইলভিত্তিক ক্যারিয়ার আয়োজন ‘টেক্সটাইল ইয়ুথ কার্নিভাল ২.৬’। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী এ আয়োজনে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী, নবীন প্রকৌশলী, করপোরেট প্রতিনিধি ও শিল্পখাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

বিজ্ঞাপন

দেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পে প্রযুক্তিনির্ভরতার ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যৎ জনশক্তিকে দক্ষ করে তোলা এবং শিক্ষাঙ্গন ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সংযোগ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ কার্নিভালের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা শিল্পখাতের বাস্তব অভিজ্ঞতা, পেশাগত প্রস্তুতি এবং আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা লাভের সুযোগ পান।

সকালে অংশগ্রহণকারীদের নিবন্ধন ও কিট বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা মো. রিফাতুর রহমান মিয়াজী। উদ্বোধনী পর্বের পর নেতৃত্ব বিকাশ, পেশাগত প্রস্তুতি এবং করপোরেট জগতে সফলতার বিভিন্ন দিক নিয়ে একাধিক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসব অধিবেশনে মানবসম্পদ বিশেষজ্ঞ, প্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধি এবং শিল্পখাতের নীতিনির্ধারকেরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘ওয়ান টু ওয়ান’ জীবনবৃত্তান্ত পরামর্শ কেন্দ্র। সেখানে অভিজ্ঞ মানবসম্পদ পেশাজীবীরা অংশগ্রহণকারীদের জীবনবৃত্তান্ত মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণা ও প্রকল্প নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়, যা নতুন চিন্তা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করে।

মধ্যাহ্নভোজ ও জুমার বিরতির পর অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। পরে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ও শিল্প ৪.০-কেন্দ্রিক বিশেষ কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এসব অধিবেশনে আধুনিক টেক্সটাইল শিল্পের প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন আমন্ত্রিত বক্তারা।
দিনব্যাপী আয়োজনে আরও ছিল বিশ্ব রেকর্ডধারী এস. এ. ওয়ালিদের জাদু ও মানসিক বিভ্রম প্রদর্শনী, শিক্ষার্থীদের নকশায় তৈরি পোশাকের ফ্যাশন প্রদর্শনী, র‍্যাফেল ড্র এবং অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ।


আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের করপোরেট দক্ষতা ও পেশাগত প্রস্তুতি বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক শিল্পের সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রকৌশলীদের কার্যকর সংযোগ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাদের মতে, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে দেশের টেক্সটাইল খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

পড়ুন: খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লোকে লোকারণ্য গ্র্যান্ড মোসাল্লা

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন