বিজ্ঞাপন

পঞ্চগড়ে স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তার

উপবৃত্তির জন্য স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে রূপালী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখার কর্মকর্তা তারেক মাহমুদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার ফরমে দেওয়া মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে তিনি একাধিক শিক্ষার্থীকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠাতেন এবং রাতের বেলায় ভিডিও অডিও কল করে বিরক্ত করতেন। বিষয়টি জানাজানি হলে শিক্ষার্থীরা কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে জানালে তাৎক্ষণিকভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় আশ্বাস প্রদান করেন।

জানা যায়, সম্প্রতি পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের উপবৃত্তির অর্থ বিতরণের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার কার্যক্রম পরিচালনা করে রূপালী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখা। এ সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে নাম, মোবাইল নম্বরসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, অ্যাকাউন্ট খোলার কিছুদিন পর থেকেই রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা তারেক মাহমুদ তাদের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠাতে শুরু করেন। পরবর্তীতে রাতের বেলায় ভিডিও কল, অডিও কল করে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতেন। একই ধরনের ঘটনার শিকার হন একাধিক শিক্ষার্থী। এতে বিব্রত ও আতঙ্কিত হয়ে তারা বিষয়টি কলেজের শিক্ষকদের কাছে মৌখিকভাবে জানান।

পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের প্রিন্সিপাল হারুন অর রশিদ বলেন, রূপালী ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা আমাদের কলেজের অনেক শিক্ষার্থীকে রাতের বেলায় ভিডিও অডিও কল দিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে। একটি ব্যাংক থেকে ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে এই ধরনের ইভটিজিং ও সাইবার বুলিং কিভাবে করে একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। বিষয়টি রূপালী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখার ব্যবস্থাপককে জানানো হয় হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা তারেক মাহমুদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ব্রাঞ্চে যোগাযোগ করুন। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তিনি ফোন কেটে দেন। পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।

রূপালী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখার ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার রায় বলেন, পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার ওসি তদন্ত আশীষ কুমার বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিনামূল্যে চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন