সীমান্ত পেরিয়ে ভারত থেকে আখাউড়া স্থলবন্দরে এসেছে তিন টন জিরার একটি চালান। শুল্ক ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে সোমবার বিকেলে চালানটির ছাড়পত্র দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এতে দীর্ঘদিন পর বন্দরে মসলা আমদানির কার্যক্রমে নতুন গতি ফিরেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, রোববার ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা থেকে একটি ট্রাকে করে জিরার চালানটি আখাউড়া স্থলবন্দরে পৌঁছায়। পরে পণ্যের ওজন, মূল্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সোমবার বিকেলে চালানটি খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়।
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ঢাকার মদিনা ট্রেডার্স। চালানটির সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে শোয়েব ট্রেডার্স।
আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক ব্যবসায়ী ও শোয়েব ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. রাজীব ভূঁইয়া বলেন, প্রতি কেজি জিরা আমদানিতে মোট ব্যয় হয়েছে ২৩৮ টাকা। তিন টন জিরা আমদানির বিপরীতে সরকার প্রায় ৭ লাখ ১৩ হাজার টাকা রাজস্ব পেয়েছে।
আখাউড়া স্থলবন্দরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পণ্যের ওজন, মূল্য এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আমদানিকৃত জিরার চালানটির ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানির পরিধি বাড়লে বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে।
পড়ুন : ব্রাজিলের স্বপ্নভঙ্গ,ব্যাথার চোটে সমর্থকের হার্ট অ্যাটাক


