বিজ্ঞাপন

দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় শ্রমিক শক্তি ও এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় জাতীয় শ্রমিক শক্তি ও এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং বিভিন্ন দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উল্লেখ করা হয়ে যে, গতকাল গভীর রাতে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানা ভেতরে জাতীয় শ্রমিক শক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল ইসলামের ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশ ও ডিবির উপস্থিতিতে সংঘবদ্ধ হামলা চালায়। একই সঙ্গে ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক হযরত আলী অনিকের ওপরও শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হয়। এছাড়া এনসিপির নেতাকর্মীদের খুঁজে খুঁজে হামলার চেষ্টা করা হয়। রেজাউল ইসলামকে রাত প্রায় ২টা পর্যন্ত থানার ভেতরে কার্যত অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় থানার বাইরে দেশীয় অস্ত্রসহ সন্ত্রাসীরা মহড়া দিলেও পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়। ওসি, এএসপি ও এসপির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরাও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারার বিষয়টি স্বীকার করেন।

ঘটনার সূত্রপাত হয় এনসিপির যুবশক্তির কয়েকজন কর্মীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর। তাঁদের বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ওসির সঙ্গে কথা বলতেই আমরা থানায় যাই। আমাদের কোনো সহযোদ্ধা দোষী হলে আমরা অবশ্যই আইনের আওতায় ন্যায্য শান্তির পক্ষে। কিন্তু একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং আইনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পর্যায়ক্রমে থানার ভেতরেই একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটে। এমনকি আমাদের আরও দুইজন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়, অথচ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে তাঁদের প্রতি সহযোগিতামূলক আচরণ করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি। আমাদের এই আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

দাবিসমূহঃ
==============
০১। থানার ভেতরে হামলার ঘটনায় জড়িত সকল হামলাকারীকে দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শান্তি নিশ্চিত করতে হবে।

০২। হামলার সময় দায়িত্বে অবহেলা বা পক্ষপাতমূলক আচরণ করা পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

০৩। ভবিষ্যতে রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা ও আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

০৪। আটককৃতদের বিষয়ে স্বচ্ছ ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে এবং কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি করা যাবে না।

০৫। এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রকাশ্য তদন্ত করে তদন্তের ফলাফল জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।

আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই-সন্ত্রাস, মব সৃষ্টির রাজনীীত ও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সংস্কৃতি কোনো সভ্য রাষ্ট্রে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আমরা শান্তিপূর্ণ আইনি ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে এই ঘটনার বিচার দাবি করছি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সিংগাইরে সেনাবাহিনীর অস্থায়ী প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন