ঢাকার ধামরাইয়ে ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে দুই যুবককে অপহরণ, মারধর ও দস্যুতার ঘটনার মামলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ধামরাই পুলিশ। এ সময় তাদের ব্যবহৃত একটি নোয়া মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরের দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যম্যে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নাজমুল হুদা খান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সাঈদ আল হাসান শাকিল (২৯), মো. সবুজ ওরফে সাগর (৩০), মো. জুয়েল হাওলাদার ওরফে জাহিদুল (৩৫) এবং মো. মোশারফ আলী (৩৫)। তাদের কাছ থেকে দস্যুতার কাজে ব্যবহৃত নোয়া মাইক্রোবাসটি জব্দ করে আলামত হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের ব্যবসায়ী আল ফাহাদ খান (২৫) ও তার ভাই সিয়াম খন্দকার গত ১৮ জুন সন্ধ্যায় ব্যবসায়িক কাজে সাভারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কালামপুর বাসস্ট্যান্ডে বাসের অপেক্ষায় ছিল৷ এসময় সাদা রঙের নোয়া মাইক্রোবাস সেখানে এসে গাড়িতে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশের সদস্য পরিচয় দিয়ে দুই ভাইকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নেয়।
এরপর তাদের চোখ ও মুখ কসটেপ দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়। প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে ব্যবসার নগদ ২ লাখ ৬২ হাজার ২১০ টাকা এবং ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া নিয়ে রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে মানিকগঞ্জের পুখুরিয়া এলাকায় স্টোন ব্রিকস লিমিটেডের সামনে তাদের ফেলে রেখে দস্যুরা পালিয়ে যায়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানা যায়, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ খান ধামরাই থানায় মামলা দায়ের করলে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপারের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে তদন্ত শুরু করে ধামরাই থানা পুলিশ।
মামলা তদন্তকারী পুলিশ পরির্দশক (এসআই) কাওসার সুলতান মাহমুদ জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুর মহানগর পুলিশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দস্যুতার সঙ্গে জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নাজমুল হুদা খান জানান, ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অপহরণ মারধর ও দস্যুতার ঘটনায় মামলা দায়ের হলে বিশেষ অভিযানে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্তও চলমান রয়েছে।
পড়ুন:মাদকের বিরুদ্ধে ‘লাল কার্ড’: দুর্গাপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
ইমি/


