টাঙ্গাইলে বিধবা নারীর সাথে পরকীয়া করতে ধরা পড়ে ব্যবসায়ী মাসুদ রানা। রাতে পরকীয়া নারীর ছেলে অন্যদের সহায়তায় মাসুদকে হাতুরি দিয়ে মারধর ও গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে। পুলিশের হাতে আটক হওয়া পরকীয়া প্রেমিকার ছেলে হুমায়ুন এই স্বীকারোক্তি দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এঘটনায় পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে।
শনিবার টাঙ্গাইল সদর থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন এই তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- পরকীয়া প্রেমিকার মগরা ইউনিয়নের কুইজবাড়ী পশ্চিমপাড়ার মৃত শওকত আলীর স্ত্রী হনুফা বেগম (৩৮), তার ছেলে হুমায়ুন, সহযোগি নূর মোহাম্মদ, বাবু ও আয়নাল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে গত ৫ জুলাই সকালে টাঙ্গাইল সদরের মগরা ইউনিয়নে কুইচবাড়ী বাজারের পশ্চিম পাশে মোঃ মাসুদ রানার (৪৮) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, খুন হওয়া মাসুদের সাথে হনুফা বেওয়ার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে প্রেম শারিরীক সম্পর্কে রূপ নেয়। পরে ঘটনার আগের দিন রাতে হনুফার বাড়িতে যায় মাসুদ। পরে দুইজনের শারিরীক সম্পর্ক দেখে ফেলে ছেলে হুমায়ুন। এরপরই ক্ষিপ্ত হয়ে হুমায়ুন হাতুরি দিয়ে মাসুদকে পিটাতে থাকে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে। আটককৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।
পড়ুন : রাজশাহীর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও স্মার্ট ব্যাংকিং প্রসারে কাজ করবে পূবালী ব্যাংক


