বিজ্ঞাপন

এবার ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেল ৩২ হাজার ৯৬৫ শিক্ষার্থী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’-এর ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবারের পরীক্ষায় দেশজুড়ে মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ কোটায় বৃত্তি পেয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ফল ঘোষণা করা হয়।

নীতিমালা অনুযায়ী মোট ৮২ হাজার ৫০০টি বৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত থাকলেও চূড়ান্তভাবে ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়েছে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন এবং সাধারণ কোটায় বৃত্তি পেয়েছে ৪৬ হাজার ২৮১ জন।

ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রয়েছে ২৬ হাজার ৩৭৫ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ৬ হাজার ৫৯০ জন। সাধারণ বৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি বিদ্যালয় থেকে ৩৬ হাজার ৪২০ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয় থেকে ৯ হাজার ৮৬১ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে।

বৃত্তিপ্রাপ্ত মোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৩৫ হাজার ৮৯২ জন, যা মোট শিক্ষার্থীর ৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। আর ছাত্রী রয়েছে ৪৩ হাজার ৩৫৪ জন, যা ৫৪ দশমিক ৭১ শতাংশ।

এবারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় দেশব্যাপী ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয় অংশ নেয়। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় ছিল ৬৫ হাজার ৬০৫টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয় ১৩ হাজার ২০৫টি।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য মোট ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৪১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছিল। নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ছিল ২ লাখ ৫৬ হাজার ১১৭ জন এবং ছাত্রী ২ লাখ ৮৮ হাজার ৯২৪ জন। তবে পরীক্ষায় উপস্থিত হয় ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৮২ জন শিক্ষার্থী, যা নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর ৬৫ দশমিক ১১ শতাংশ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুধু শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের একটি মাধ্যম নয়, বরং প্রতিযোগিতামূলক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ।

সফলভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন