৬ মাস আগে হরিন শিকারির ফাঁদ আটকা পড়ে মারাত্বক আহত হয় হয় বাঘিনীটি। টানা ছয় মাসেরও বেশি সময় চিকিৎসা শেষে আজ তাকে তার আবাসস্থল সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হলো। চিকিৎসা শেষে পুরোপুরি সুস্থ হওয়ায় বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে বাঘটিকে সুন্দরবনে অবমুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম নিজে উপস্থিত থেকে আজ বিকেলে বাঘিনীকে সুন্দরবনে অবমুক্ত করেন। সুন্দরবনের আন্ধারমানিক ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রের বনাঞ্চলে বাঘটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ জানায়, সকালে খুলনা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র থেকে বাঘিনীকে নিয়ে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক বনাঞ্চলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেওয়া হয়। বাঘটিকে সুন্দরবনে অবমুক্ত করার জন্য অভিজ্ঞ ও প্রখ্যাত বন্যপ্রাণী চিকিৎসক, বাঘ বিশেষজ্ঞ এবং বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে চারটি দল গঠন করা হয়। এছাড়া বাঘিনীর গতিবিধি দেখার জন্য সুন্দরবনে ৮ কিলোমিটার জুড়ে ২০টি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। গুরুতর আহত বাঘিনীটি দীর্ঘ চিকিৎসায় এখন পুরোপুরি সুস্থ।
বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্মল কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গেল ছয় মাস সাফারি পার্কের অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে আমরা বাঘটির দেখভাল করেছি। বাঘটি এখন শতভাগ সুস্থ। গত শুক্রবার (১০ জুলাই) অভিজ্ঞ ও প্রখ্যাত বন্যপ্রাণী চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিক্যাল টিম সার্টিফিকেট দিয়েছে। এর প্রেক্ষিতে আজ সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক বনাঞ্চলে বাঘটিকে অবমুক্ত করা হয়েছে।
পড়ুন:কাতার আমিরের পিতা শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির ইন্তেকাল
ইমি/


