বিজ্ঞাপন

সিরাজগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে যুবক নিহত, আটক দুই

সিরাজগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক নিহতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাশী ইউনিয়নের কালিঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো রায়গঞ্জ উপজেলার কালিঙ্গা গ্রামের আব্দুল আজিত ছেলে মো. রাসেল (৪২) ও একই গ্রামের মৃত আব্দুল মোমিন খান ছেলে মো. সোহেল খান (৪০)। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসানুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত গুরুত্বের সঙ্গে চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরো বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে, গত শনিবার (১৯ জুলাই) রাতে কালিঙ্গা গ্রামে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মো. ইলিয়াস খান (২৬) গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। ইলিয়াস উপজেলার পাঙ্গাশী ইউনিয়নের কালিঙ্গা গ্রামের সাত্তার খানের ছেলে।

ঘটনার পর নিহতের ভাই রতন আলী খান বাদী হয়ে রায়গঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আজ সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর এলাকা কালিঙ্গা গ্রাম থেকে মো. রাসেল এবং কামারখন্দ থানা এলাকা থেকে মো. সোহেল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে একাধিক স্থানে অভিযান চলছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সিয়াম আহমেদের বাবা রাসেলের সাথে ইলিয়াস খানের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সেই বিরোধের জেরে রাসেল ও তার কিশোর ছেলে সিয়াম আহমেদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইলিয়াসকে ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পড়ুন : সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন