রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কারণে শূন্য হওয়া আসনে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুতই এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের কারণে ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন করতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল শিগগিরই ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
এ নিয়ে তিনি বলেন, সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন-১৯৯১ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হবে।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার এখতিয়ার একমাত্র নির্বাচন কমিশনের। জাতীয় সংসদের ৩৫০ জন সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার। সেই অনুযায়ী ভোটার তালিকা তৈরি করবে ইসি। এরপর ঘোষণা হবে নির্বাচনের তফসিল।
ইসির সংশ্লিষ্টরা জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন-১৯৯১ অনুসরণ করে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হবে। এই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেই রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকবেন। বিদ্যমান সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের ৩৫০ জন সংসদ সদস্য এই নির্বাচনের ভোটার হিসেবে গণ্য হবেন। সে অনুযায়ী ইসি দ্রুত সময়ের মধ্যে ভোটার তালিকা তৈরি করে তা চূড়ান্ত করবে।
ইসি কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ আরও জানান, ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার পরপরই নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন পরিচালনা করা হবে অনেকটা সংরক্ষিত নারী আসনের পদ্ধতির মতো। প্রার্থী একাধিক হলে নির্ধারিত দিনে জাতীয় সংসদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, আর একক প্রার্থী থাকলে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে কমিশনের দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায়, আগামী রোববার বা তার পরবর্তী দিনগুলোতে তফসিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠক করবে ইসি।
খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই দেশবাসী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল জানতে পারবে বলে জানিয়েছে কমিশন।


