পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ট্যাংক জেলায় একটি যৌথ নিরাপত্তা চৌকিতে আত্মঘাতী গাড়ি বোমা হামলায় ১২ সেনাসহ মোট ২৭ জন নিহত হয়েছেন।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে আফগানিস্তান সীমান্তের কাছে দুর্গম এলাকায় রাতের আঁধারে এই হামলা চালানো হয়। দীর্ঘদিন ধরেই ওই অঞ্চলে হামলা চালানো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা রয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১২ জন সেনাসদস্য, দুজন পুলিশ কর্মকর্তা এবং একজন বন কর্মকর্তা রয়েছেন। এ ছাড়া হামলাকারী ১২ জনও নিহত হয়েছে।
খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের ট্যাংক জেলায় অবস্থিত ওই নিরাপত্তা চৌকিতে হামলাকারীরা প্রথমে প্রবেশের চেষ্টা করে। পরে বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি চৌকির সীমানা দেয়ালে ধাক্কা দেয়।
২০০৭ সাল থেকে পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসা সশস্ত্র গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) জানিয়েছে, চারজন আত্মঘাতী হামলাকারী এই হামলায় অংশ নেয়।
হামলায় জড়িত অন্যদের খুঁজে বের করতে আশপাশের এলাকায় তল্লাশি অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে চলতি বছরে হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর আগে প্রতিবেশী বান্নু জেলায় পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা ও আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানে সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা ২০২৪ সালের ১ হাজার ৬২০ জন থেকে গত বছর বেড়ে ২ হাজার ৩৩১ জন হয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট ফর পিস স্টাডিজ জানিয়েছে, একই সময়ে দেশজুড়ে হামলার সংখ্যা ৩৪ শতাংশ বেড়েছে।
পড়ুন : ইয়েমেনের বন্দরে সৌদি আরবের ব্যাপক হামলা, পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি
সা/


