বিজ্ঞাপন

জরুরি ইমেইল ফিল্টার হওয়ার কারণ

ব্যাংকের ওটিপি, চাকরির আবেদন, অফিসের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা কিংবা অনলাইন কেনাকাটার অর্ডার আপডেট—এসব জরুরি ইমেইল যদি বারবার জিমেইলের স্প্যাম ফোল্ডারে চলে যায়, তাহলে তা বড় ধরনের ভোগান্তির কারণ হতে পারে। অনেকেই মনে করেন, এটি জিমেইলের কোনো ত্রুটি। তবে বাস্তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি জিমেইলের স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ, যা সন্দেহজনক ইমেইল থেকে ব্যবহারকারীকে সুরক্ষা দিতে কাজ করে।

বিজ্ঞাপন

স্প্যাম হলো জিমেইলের একটি বিশেষ ফোল্ডার, যেখানে সন্দেহজনক, অবাঞ্ছিত বা অতিরিক্ত প্রচারণামূলক ইমেইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষণ করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ফিশিং, প্রতারণা, ভাইরাস এবং ক্ষতিকর ইমেইল থেকে ব্যবহারকারীকে নিরাপদ রাখা। তবে কখনো কখনো গুরুত্বপূর্ণ ও বৈধ ইমেইলও ভুলবশত স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো প্রেরকের ইমেইল ঠিকানা যদি গুগল কনট্যাক্টসে সংরক্ষিত না থাকে, তাহলে জিমেইল সেটিকে সন্দেহজনক হিসেবে বিবেচনা করতে পারে। এছাড়া ভুলভাবে তৈরি করা ফিল্টার বা অতীতের কিছু সেটিংসের কারণেও জরুরি ইমেইল স্প্যামে চলে যেতে পারে।

এ সমস্যা সমাধানের জন্য প্রথমে জিমেইলে প্রবেশ করে Spam ফোল্ডার খুলতে হবে। সেখানে প্রয়োজনীয় ইমেইল নির্বাচন করে উপরের Not spam অপশনে ক্লিক করলে সেটি ইনবক্সে ফিরে আসবে। এরপর ওই প্রেরকের নাম ও ইমেইল ঠিকানা গুগল কনট্যাক্টসে সংরক্ষণ করলে ভবিষ্যতে একই সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

আরও কার্যকর সমাধান হলো জিমেইলের Create filter সুবিধা ব্যবহার করা। কম্পিউটার থেকে জিমেইলে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট প্রেরকের জন্য একটি ফিল্টার তৈরি করতে হবে এবং Never send it to Spam অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। এরপর থেকে ওই প্রেরকের ইমেইল আর স্প্যাম ফোল্ডারে যাবে না।

মোবাইল ব্যবহারকারীরাও একই ধরনের সুবিধা পেতে পারেন। জিমেইল অ্যাপ খুলে স্প্যাম ফোল্ডারে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ইমেইল নির্বাচন করতে হবে। এরপর Report not spam অপশন চাপলে ইমেইলটি ইনবক্সে ফিরে আসবে। পাশাপাশি ফোনের কনট্যাক্টসে প্রেরকের ইমেইল ঠিকানা সংরক্ষণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে ফিল্টার তৈরি করার সুবিধা বর্তমানে শুধু কম্পিউটার থেকেই ব্যবহার করা যায়।

বর্তমানে ব্যাংকিং, চাকরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং দাপ্তরিক যোগাযোগের বড় একটি অংশ ইমেইলনির্ভর। তাই নিয়মিত স্প্যাম ফোল্ডার পরীক্ষা করা, বিশ্বস্ত প্রেরকদের কনট্যাক্টসে যুক্ত রাখা এবং প্রয়োজনে ফিল্টার ব্যবহার করা জরুরি। এসব সহজ পদক্ষেপ অনুসরণ করলে গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল আর স্প্যামে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে এবং সময়মতো সব গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পাওয়া নিশ্চিত হবে।

পড়ুন:আকিজ ফ্লাওয়ার মিলস এ চাকরির সুযোগ, আবেদন নেওয়া শুরু

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন