বিজ্ঞাপন

১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ১১ যুদ্ধবিমান ও ১৭ ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে: আইআরজিসি

নতুন দফায় ১৫ দিনের সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে থাকা ১১টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান। একই সঙ্গে নজরদারি ও অপারেশনে ব্যবহৃত ১৭টি মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২৫ জুলাই) আইআরজিসির এ দাবির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা ও মেহের নিউজ এজেন্সি।

শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেবি বলেন, ৮ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত ১৫ দিনের সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে থাকা ১১টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংস করেছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।

তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের হামলায় ১৭টি নজরদারি ও অপারেশনাল ড্রোন ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে ৮টি ছিল আনপ্যাকড অবস্থায় থাকা, অর্থাৎ সংযোজনের অপেক্ষায় থাকা ড্রোন।

আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, ধ্বংস হওয়া সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে ছিল একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান, যা একটি হ্যাঙ্গারে রাখা ছিল, একটি পি-৮ সামুদ্রিক টহল বিমান, একটি সি-১৭ পরিবহন বিমান এবং আটটি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার বিমান।

তবে আইআরজিসির এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো যাচাই পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতবিরোধের জেরে চলতি মাসে আবারও সংঘাতে জড়িয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। গত ৮ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে (MoU) উল্লেখ করা যুদ্ধবিরতি আর কার্যকর নেই।

এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এদিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফার বিমান হামলায় ৫৯ জন নিহত এবং ৫৯২ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ ও তথ্যকেন্দ্রের প্রধান হোসেইন কারমানপুর। এ তথ্য মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে।

এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত চলা মার্কিন হামলায় ইরানে মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। নিহতদের মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ ও ৪৯৬ জন নারী। জরুরি চিকিৎসা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময়ে ১১৮ জন চিকিৎসাকর্মী আহত এবং ২৬ জন নিহত হন।

পড়ুন: নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন: মিসাইলের মজুত শেষ হওয়ার শঙ্কার ইরানে মার্কিন হামলা বন্ধ

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন