নীলফামারীর সদর উপজেলার চাপড়া সরমজানি ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের বেড়াডাঙ্গা চৌধুরীপাড়া হতে বেড়াডাঙ্গা শাহপাড়া এলাকার দীর্ঘদিনের কাঁচা সড়কটি অবশেষে পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি বেড়াডাঙ্গা বাসির দীর্ঘ দিনের দাবি। এতে কয়েক শ পরিবারের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হওয়ার আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে কাঁচা সড়কটি সংস্কার বা পাকা করার দাবি জানিয়ে এলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদায় চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। অনেক সময় মোটরসাইকেল, ভ্যান ও অন্যান্য যানবাহন কাদায় আটকে যায়।
এলাকাবাসীর দাবি, বিগত সরকারের আমলেও সড়কটি পাকাকরণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দিলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে বছরের পর বছর অবহেলায় পড়ে ছিল গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি।
সম্প্রতি সড়কটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তাঁদের প্রত্যাশা, এবার আর প্রতিশ্রুতি নয়—দ্রুত কাজ সম্পন্ন হবে এবং বহু বছরের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।
স্থানীয়রা বলেন, সড়কটি বাস্তবায়নে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সমাজসেবী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। এলজিআইডি মন্ত্রলায়ের যুগ্মসচিব মোঃ রবিউল ইসলামের হাত ধরে নীলফামারী জেলা হিসাব রক্ষণের সুপার মোঃ মুশফিকর রহমানের নেতৃত্ব, নীলফামারীর সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিমের তত্ত্বাবধানে চেষ্টায়, পাশাপাশি নীলফামারী সরকারি কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল মোঃ গোলাম মোস্তফা চোধুরী, চাঁদের হাট ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মোসাদ্দেক হোসেন, বাবরীঝাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল জলিল, নতুন বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রিপন ইসলাম, মুশরত পানিয়াল পুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল ওয়াদুদ এনাদের প্রচেষ্টায় অবশেষে আশার আলো দেখছেন।
এলাকাবাসী বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিনের এই দাবি বাস্তবায়নের পথে। তারা দ্রুত সড়ক নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে জনসাধারণের চলাচলের জন্য সুবিধা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের আশা, সড়কটি নির্মিত হলে এলাকার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা, কৃষি ও স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
পড়ুন:এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি, তিতাস এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট
ইমি/


