বিজ্ঞাপন

এক হাজার ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল তুলে দিল ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’

দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্প ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’-এর এক হাজার ফাউন্ডারের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে জমির দলিল হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের দাবি, এর মাধ্যমে অংশীদারেরা প্রকল্পের জমি, খামার ও রিসোর্টে তাদের আইনি মালিকানার স্বীকৃতি পেয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

শনিবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডির ম্যারিয়ট কনভেনশন হলে আয়োজিত ‘ফাউন্ডারস নাইট ২০২৬’ অনুষ্ঠানে সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম ফাউন্ডারদের হাতে জমির দলিল, শেয়ার সনদ, চুক্তিপত্র ও সুখের খামার ফাউন্ডেশনের লাইফটাইম সদস্যপদ সনদ তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন।

প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষিত তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশেও বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, সুখের খামারের মতো কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগ নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, ফাউন্ডাররা শুধু বিনিয়োগকারী নন, তারা এই প্রতিষ্ঠানের মালিক ও প্রতিষ্ঠাতা। তাদের আস্থার মর্যাদা রক্ষা করাই প্রতিষ্ঠানের প্রধান অঙ্গীকার।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম বলেন, তারা শুধু একটি খামার বা রিসোর্ট নির্মাণ করছেন না; কৃষি, পর্যটন ও গ্রামীণ উন্নয়নের সমন্বয়ে একটি টেকসই মডেল গড়ে তুলছেন, যা একটি গ্রামের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

আয়োজকদের ভাষ্য, বগুড়ার কাহালু উপজেলার বাগইল গ্রামে ৩০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা প্রকল্পটির দৃশ্যমান অগ্রগতি এবং সম্পদের মূল্য বৃদ্ধির কারণে চলতি জুলাই থেকে প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তাদের দাবি, প্রতিষ্ঠার দেড় বছরের মধ্যেই শেয়ারের এই মূল্যবৃদ্ধি অংশীদারদের আস্থার প্রতিফলন।

আয়োজকদের আরও দাবি, শরিয়াহভিত্তিক মুশারাকা পদ্ধতিতে পরিচালিত এ প্রকল্পে অংশীদারেরা সাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে জমিসহ খামার ও রিসোর্টের আইনি মালিকানা পাচ্ছেন, যা দেশের এগ্রো ট্যুরিজম খাতে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।

কর্তৃপক্ষ জানায়, বগুড়ার কাহালু উপজেলার বাগইল গ্রামে ৩০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা সুখের খামার এগ্রো ভিলেজে ইতোমধ্যে দুই হাজারের বেশি দর্শনার্থী ভ্রমণ করেছেন।

তাদের দাবি, প্রকল্পটি স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নারীর ক্ষমতায়নেও ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতে এখানে আন্তর্জাতিক মানের ১০০ কক্ষবিশিষ্ট এগ্রো রিসোর্ট, একটি জামে মসজিদ এবং একটি হাফিজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

পড়ুন: মামদানির আপত্তি উপেক্ষা করে নিউইয়র্কে যাবেন নেতানিয়াহু

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন