বিজ্ঞাপন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

লিভার ভালো রাখার জন্য আমাদের জীবনযাপনের ধরন স্বাস্থ্যকর হওয়া চাই। সেইসঙ্গে সবচেয়ে বেশি খেয়াল রাখতে হবে খাবারের তালিকার দিকে। আপনি প্রতিদিন কী খাচ্ছেন তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করছে আপনার লিভারের স্বাস্থ্য কতটা ভালো থাকবে, আদৌ থাকবে কি না। আমাদের সুস্থতার জন্য নিয়মিত লিভারের জন্য উপকারী খাবার খাওয়া যেমন জরুরি, তেমনই জরুরি হলো এর জন্য ক্ষতিকর খাবারগুলো বাদ দেওয়া।

বিজ্ঞাপন

ওটস

প্রচুর ফাইবারযুক্ত খাবার আমাদের লিভারকে সর্বোত্তমভাবে কাজ করতে সাহায্য করতে পারে। এমন একটি খাবার চান যা দিয়ে আপনার দিন শুরু করা যায়? ওটস খেয়ে দেখতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, আপনার লক্ষ্য যদি ওজন কমানো হয়, তবে এটি পেটের মেদসহ ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে। এটি লিভারের রোগ দূরে রাখার একটি ভালো উপায় হতে পারে।

ব্রোকলি

আপনি যদি লিভারকে সুস্থ রাখতে চান তবে আপনার খাদ্যতালিকায় প্রচুর শাক-সবজি যোগ করুন। কিছু গবেষণা থেকে জানা যায় যে ব্রোকলি মেটাবলিক ডিসফাংশন-অ্যাসোসিয়েটেড স্টিয়াটোটিক লিভার ডিজিজ (MASLD) থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে, যা লিভারে চর্বি জমার একটি অবস্থা। তাই আপনার খাবারের তালিকায় নিয়মিত ব্রোকলি রাখতে পারেন।

কফি

যদি এটি ছাড়া আপনার দিন না চলে, তবে জেনে খুশি হবেন যে এটি আপনার লিভারের জন্য কিছুটা উপকারী হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে দিনে দুই থেকে তিন কাপ কফি পান করলে তা অতিরিক্ত অ্যালকোহল বা অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে লিভারকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে। কিছু গবেষণা থেকে জানা যায় যে এটি লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে।

গ্রিন টি

এটি ক্যাটেচিন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। গবেষণায় দেখা গেছে যে, এটি লিভার ক্যান্সারসহ কিছু ধরণের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে পারে। আপনি যদি নিজে চা তৈরি করে গরম গরম পান করেন তবে আরও বেশি ক্যাটেচিন পাবেন। আইসড টি এবং রেডি-টু-ড্রিঙ্ক গ্রিন টি-তে এর পরিমাণ অনেক কম থাকে। তবে এটি পরিমিত পরিমাণে পান করুন এবং এর নির্যাস এড়িয়ে চলুন।

চিনি খাওয়া কমান

অতিরিক্ত মিষ্টি আপনার লিভারের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। এর কারণ হলো, লিভারের কাজের একটি অংশ হলো চিনিকে চর্বিতে রূপান্তরিত করা। এটি অতিরিক্ত খেলে লিভার অতিরিক্ত চর্বি তৈরি করে, যা এমন জায়গায় জমা হতে থাকে যেখানে এর থাকার কথা নয়। দীর্ঘমেয়াদে, মেটাবলিক ডিসফাংশন-অ্যাসোসিয়েটেড স্টিয়াটোটিক লিভার ডিজিজ (MASLD)-এর মতো অবস্থা হতে পারে।

পালং শাক

সবুজ পাতায় গ্লুটাথায়ন নামক একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা আপনার লিভারকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করতে পারে। আর পালং শাক রান্না করাও অত্যন্ত সহজ। এটি রাতের খাবারে রাখতে পারেন। পালংশাক দিয়ে স্যুপ তৈরি করে খেতে পারেন। অথবা রসুন ও অলিভ অয়েল দিয়ে হালকা ভেজে নিলেও খুব সুস্বাদু লাগে।

চর্বিযুক্ত খাবার থেকে দূরে থাকুন

লিভারকে সুস্থ রাখার জন্য ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এবং বার্গার থেকে দূরে থাকুন। অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত খাবার খেলে তা আপনার লিভারের কাজ করা কঠিন করে তুলতে পারে। ধীরে ধীরে এটি প্রদাহের কারণ হতে পারে, যা পরবর্তীতে লিভারে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে, যা সিরোসিস নামে পরিচিত।

পড়ুন : এবার দুধে পাওয়া গেল মাইক্রোপ্লাস্টিক, ঝুঁকিতে শিশু

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন