বিশ্বকাপে ফকল্যান্ড (মালভিনাস) দ্বীপপুঞ্জ-সংক্রান্ত রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শন এবং ফাইনাল ম্যাচ শেষে মাঠে সংঘর্ষের ঘটনায় আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) ও দলের কয়েকজন খেলোয়াড়-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক শৃঙ্খলাভঙ্গের কার্যক্রম শুরু করেছে ফিফা।
আটলান্টায় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পর উল্লাসের এক পর্যায়ে লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও জিওভানি লো সেলসোদের হাতে লাস মালভিনাস সন আর্জেন্টিনাস (ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার অংশ) লেখা একটি ব্যানার দেখা যায়। ফিফার কোড অনুযায়ী, ক্রীড়া ইভেন্টকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
এর আগে ২০১৪ সালেও স্লোভেনিয়ার বিরুদ্ধে এক প্রীতি ম্যাচে একই ব্যানার ব্যবহারের কারণে আফাকে ২০ হাজার পাউন্ড জরিমানা করেছিল ফিফা। এবার ব্যানার বিতর্কের পাশাপাশি সমর্থকদের বৈষম্যমূলক স্লোগান, দেরিতে কিক-অফ করা এবং নিরাপত্তা লঙ্ঘনসহ একাধিক অভিযোগে তোপের মুখে পড়েছে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এদিকে নিউ জার্সিতে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে যাওয়ার পর মাঠেই মল্লযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন আর্জেন্টিনা ও স্পেনের খেলোয়াড়েরা। শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথে যখন স্পেনের বদলি খেলোয়াড়েরা উদযাপনের জন্য মাঠে দৌড়ে যান, তখন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস।
এই ঘটনার জল গড়িয়েছে অনেক দূর। পারেদেসের বিরুদ্ধে ৩টি অসদাচরণ ও শারীরিক আক্রমণের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া নাহুয়েল মলিনার বিরুদ্ধে ২টি অভিযোগ এবং থিয়াগো আলমাদা, আর্জেন্টিনার টিম অফিসিয়াল রবার্তো আয়ালা ও স্পেনের গাভির বিরুদ্ধে ১টি করে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে জবাবদিহিতা চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি।
অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে ফিফা স্পষ্ট জানিয়েছে, তাদের শুনানি শেষে চূড়ান্ত শাস্তির রায় দেওয়া হবে।
পড়ুন : মিরাজকে বাদ দিয়ে নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক লিটন
সা/


