চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ কমিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নন-ভেসেল এলাকায় খালি কন্টেইনার সংরক্ষণের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে দ্য চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই)। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বৃহস্পতিবার একটি চিঠি পাঠিয়েছেন সিসিসিআই সভাপতি আমিরুল হক।
চিঠিতে বলা হয়, দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বন্দরে খালি কন্টেইনারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় সেগুলো সংরক্ষণে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। বিদ্যমান অফডকগুলোতে পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে, যা বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
সিসিসিআইর মতে, শিপিং এজেন্ট ও মেইন লাইন অপারেটরদের নন-ভেসেল এলাকায় খালি কন্টেইনার সংরক্ষণের অনুমতি দিলে বন্দরের ওপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। একই সঙ্গে কন্টেইনার ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে, জাহাজ থেকে কন্টেইনার খালাস ও সরবরাহ প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে এবং সামগ্রিক আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে গতি আসবে। এর ফলে ব্যবসায়ীদের সময় ও ব্যয় উভয়ই কমবে এবং দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক হবে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে আগেই প্রস্তাব দেওয়া হলেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে এবং এর প্রভাব বন্দর পরিচালনা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে পড়ছে।
এ অবস্থায় দেশের বাণিজ্যিক স্বার্থ, বন্দরের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে নন-ভেসেল এলাকায় খালি কন্টেইনার সংরক্ষণের অনুমতি প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে চট্টগ্রাম চেম্বার।
পড়ুন:নোয়াখালীতে বাকপ্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণ
ইমি/


