বিজ্ঞাপন

ছুটির দিনে ঢাকা উত্তরের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ শুক্রবার বিকেলে (৩১ জুলাই ২০২৬) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে তাঁর বাসভবনে ডেকে নেন। পরে তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার ময়লা ব্যবস্থাপনা, বৃক্ষরোপণ, সবুজায়ন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং নগর ব্যবস্থাপনার সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শনে বের হন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। তাঁর পরিদর্শনের রুট ছিল– রাজধানীর ইসিবি চত্বর, মিরপুর ডিওএইচএস, দিয়াবাড়ি, উত্তরা সেক্টর ৩, ৪, ৫ ও ৬, এয়ারপোর্ট রোড হয়ে কাকলী মোড়, মহাখালী, ফার্মগেট, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, সলিমুল্লাহ রোড, ইকবাল রোড, তাজমহল রোড, জাপান গার্ডেন সিটি, শ্যামলী মোড়, গণভবন মোড়, জিয়া উদ্যান, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, মিরপুর-১০, কচুক্ষেত, ক্যান্টনমেন্ট, সৈনিক ক্লাব, কাকলী ও বনানী। পরিদর্শন শেষে সন্ধ্যায় গুলশান এভিনিউয়ের বাসভবনে ফিরে আসেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বৃক্ষরোপণ, সবুজায়ন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং নগর ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। বিভিন্ন স্থানে তিনি বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করেন এবং কয়েকটি বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে ছিলেন– স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিশেষ সম্পাদক মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন মৃধা, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মো. মেহেদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানী।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : জুলাই সনদের আলোকে বাস্তবায়ন হবে আইন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব: আইনমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন