ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ব্রিকস সম্মেলন শুরু হবে নয়াদিল্লিতে। এই অংশগ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার সব ধরনের আইনি ও কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়ে ডা. জাহেদ বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে আইন অনুযায়ী গ্রেফতার করা হবে এবং একজন আসামি হিসেবে তার প্রাপ্য সব আইনগত অধিকার নিশ্চিত করা হবে। আদালত যে রায় দেবেন, সরকার তা মেনে নেবে।
শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যে দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার তো তাকে ফিরিয়ে আনতেই চায়। এজন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও যদি কোনো গণমাধ্যম আগাম ঘোষণা দিয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার বা সম্প্রচারের খবর প্রকাশ করে, তাহলে তা আদালতের রায়ের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এ বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
এদিকে, ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আগস্টের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দুই দেশের ঐকমত্যের ভিত্তিতে সব খাতের শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অতীতে বিভিন্ন অনিয়ম ও হয়রানির কারণে শ্রমিকদের যে ভোগান্তি হয়েছে, তা দূর করেই সরকার কর্মী পাঠাতে চায়।
পড়ুন: আগামীকাল জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
আর/


