বিজ্ঞাপন

জুলাই জাদুঘরে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি না থাকায় নাহিদের ক্ষোভ

জুলাই জাদুঘরে সীমান্ত হত্যা, ফেলানী হত্যাকাণ্ড এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি-সংবলিত বিভিন্ন উপাদান সরিয়ে ফেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার (০৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েই কাজ প্রায় শেষ হয়েছিল। এই সরকার এসে পাঁচ মাস পরে উদ্বোধন করেছে। কিছু পরিবর্তন বর্তমান সরকার করেছে।

তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যাসহ ফেলানীর কিছু স্মৃতি ছিল, সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এটা ভয় থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে কি না, জানা নেই। সরিয়ে দিয়ে তারা ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বোঝাচ্ছে। কিন্তু এখানে আপসের কিছু নেই। আপস করে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখা যাবে না। জাদুঘরে বিএনপির নির্যাতনের কিছু জিনিস বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সেগমেন্টগুলো আরও জোরালো করা উচিত। প্রাইভেট, মাদ্রাসার ভূমিকাসহ ঢাকার বাইরের আন্দোলন এখানে আসেনি। পরিচিত মুখগুলো বারবার তুলে আনা হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন,জাদুঘরকে কোনো দলের ইতিহাস হিসেবে নয়, জাতীয় ইতিহাস হিসেবে সংরক্ষণ করতে হবে। অতীতেও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পরিবর্তনের চেষ্টা হয়েছে। এখানেও যেন তেমন কিছু না ঘটে।

জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিরাপত্তায় যথেষ্ট পরিমাণ নিয়োগ দেয়া হয়নি। জাদুঘর স্বায়ত্তশাসিত করা উচিত। আমলাতান্ত্রিক হলে পরিচালনা ঠিকভাবে হবে না। জাদুঘর ঝুঁকির মধ্যে আছে, জনবলের অভাবে। সরকারের প্রতি অনুরোধ, যাতে এখানে নিয়োগ দেয়া হয়। যারা গণঅভ্যুত্থানে ছিল, তাদের মাধ্যমে জাদুঘরটি পরিচালনা করা উচিত। পর্যাপ্ত জনবল না থাকলে এই জাদুঘরের জবাবদিহিতা থাকবে না।
 
তিনি বলেন, নির্বাচনের পরে জাদুঘরে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে, বিশেষ করে আবু সাইদের স্মৃতি নেই। আমরা এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই জানিয়েছি। 

পড়ুন : বাজার ও ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে, মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা : আইনমন্ত্রী

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন