বিজ্ঞাপন

এটিইও-র পর এবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধেই সহকর্মীর অভিযোগ

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার শিশু মঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও)-র বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও অনিয়মের অভিযোগ তোলা সেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছাঃ শাহনাজ আক্তারের বিরুদ্ধে এবার শারীরিক নির্যাতন, গোপন ছবি তুলে অপপ্রচার ও প্রাণনাশের হুমকির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

​একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ জাহানাহ্ বেগম আজ ৮ আগস্ট সৈয়দপুর থানায় উপস্থিত হয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

​উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে শিশু মঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মোছাঃ শাহনাজ আক্তার এটিইও মরিয়ম নেছার বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও অনিয়মের নানা অভিযোগ তুলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন জানান। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। তৎকালীন সময়ে উক্ত এটিইও তার বিরুদ্ধে আনা ঘুষ ও অনিয়মের সমস্ত অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছিলেন।

​সৈয়দপুর থানায় জমা দেওয়া লিখিত অভিযোগে ২৩ বছর ধরে ওই বিদ্যালয়ে কর্মরত সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ জাহানাহ্ বেগম দাবি করেন, মোছাঃ শাহনাজ আক্তার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিদ্যালয়ের বিভিন্ন জিনিস চুরিসহ তার ওপর নানাভাবে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন।

বিদ্যালয়ে কর্মরত আরেক সহকারী শিক্ষিকা জনাব বেবী খাতুন তার মৌখিক বক্তব্যে এবং সহকারী শিক্ষিকা জনাব সাবরিনা আক্তার যিনি বর্তমানে
নীলফামারী জেলায় পিটিআইতে বিটিপিতে প্রশিক্ষণে রয়েছেন, আরেক সহকারী শিক্ষিকা জনাব সোনিয়া আক্তার যিনি মাতৃত্ব ছুটিতে রয়েছেন তাদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন বিদ্যালয়ে সব সময় অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করে ও মানসিক অশান্তির মধ্যে থাকতে হয়।

অভিযোগকারী সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ জাহানাহ্ বেগম থানায় লিখিত অভিযোগে জানান এটিইও বিরুদ্ধে ঐ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা যেখানে সশি জাহানাহ্ ও সশি বেবী সম্পর্কেও মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অত্যাচারে বর্তমানে কর্মরত ভুক্তভোগী দুই শিক্ষক যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসাতে পারে আতঙ্কে নিরাপত্তার স্বার্থেই আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

তারা আরো জানান ইতোপূর্বে ঐ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ৫টি বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন সব জায়গায় সহকারীদের সাথে তার মারামারি, ঝগড়া বিবাদের রেকর্ড আছে।

​সৈয়দপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে কথা হয় শাহনাজ আক্তারের সঙ্গে তিনি বিষয়টি মিথ্যা ও চক্রান্ত বলে দাবি করেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : আশুলিয়ায় বিএনপি নেতার বাড়ির গেটে কাফনের কাপড় ও গুলি, চিরকুটে হত্যার হুমকি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন