বিজ্ঞাপন

কালিয়াকৈরে ড্রেনের কচুরিপানা-ময়লা পরিষ্কারের উদ্যোগ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খাজার ডেগ থেকে ডাক্তার বাড়ি পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন পৌরসভার মেয়র প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয়দের ভাষ্য, ড্রেনটিতে দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানা ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য জমে থাকায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। এতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও পরিবেশদূষণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ অবস্থায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ কমাতে নিজ অর্থায়নে ড্রেনটি পরিষ্কারের উদ্যোগ নেন দেওয়ান মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। তার উদ্যোগে ড্রেন থেকে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনে কচুরিপানা ও ময়লা জমে পানি চলাচলে সমস্যা হচ্ছিল। ড্রেনটি পরিষ্কার করা হলে পানি নিষ্কাশন স্বাভাবিক হবে এবং এলাকাবাসীর দুর্ভোগ কমবে। তবে ভবিষ্যতে যাতে আবার ময়লা জমে না থাকে, সে জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে।

৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সামছুল আলম সরকার বলেন, ড্রেন পরিষ্কার রাখা এলাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে যেভাবে ময়লা ও কচুরিপানা জমেছে, তা দ্রুত অপসারণ করা প্রয়োজন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার এ কার্যক্রমকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন তারা।

কালিয়াকৈর পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাহিদুল আলম তালুকদার বলেন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে ড্রেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। কোথাও ময়লা-আবর্জনা জমে পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি হলে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের নজরে আনার চেষ্টা করা হবে।

উদ্যোক্তা দেওয়ান মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, এলাকাবাসীর দুর্ভোগ কমাতে মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই নিজ অর্থায়নে ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকার মানুষের কল্যাণে সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করবেন তিনি।

স্থানীয়দের দাবি, একবার পরিষ্কার করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। ড্রেনে যাতে পুনরায় ময়লা-আবর্জনা ও কচুরিপানা জমতে না পারে, সে জন্য নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি ড্রেনে বর্জ্য ফেলা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

পড়ুন: রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতা অব্যাহত হয়েছে: আইআইএমএম

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন