বিজ্ঞাপন

অপহরণের এক মাস পর মায়ের কোলে ফিরল থাইংখালীর দুই শিশু

অপহরণের প্রায় এক মাস পর অবশেষে মায়ের কোলে ফিরেছে কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালী থেকে অপহৃত দুই শিশু। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকা থেকে তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে উখিয়া থানা পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

উদ্ধার হওয়া দুই শিশু হলো—থাইংখালীর স্থানীয় বাসিন্দা শাহ আলমের ছেলে শফিকুল (১৩) ও শহিদুল (১১)। তারা থাইংখালী দাখিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পুলিশ জানায়, গত ১০ জুলাই সকালে থাইংখালী দাখিল মাদ্রাসার সামনে থেকে দুই ভাই নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান না পেয়ে উখিয়া থানায় অপহরণ মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও বালুখালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল আজাদ।

এরই মধ্যে অপহরণকারীরা শিশু দুটির পরিবারের কাছে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। গ্রেপ্তার এড়াতে তারা টেকনাফ ও উখিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছিল।

পুলিশের তথ্যমতে, একপর্যায়ে টেকনাফে মুক্তিপণের বিনিময়ে শিশু দুটিকে ছেড়ে দেওয়ার কথা থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা আবারও পালিয়ে যায়।

পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার রাতে এসআই আব্দুল আজাদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল কলাতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই শিশুকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, দীর্ঘ এক মাসের প্রচেষ্টায় শিশু দুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হওয়ায় অপহরণকারীরা ভয়ে শিশুদের কোনো ক্ষতি করার সাহস পায়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে অপহরণে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে দীর্ঘদিন পর সন্তান দুটিকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন তাদের বাবা-মা। তারা সন্তানদের উদ্ধারে সহযোগিতার জন্য পুলিশ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

পড়ুন : আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ আদিবাসী নই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন