‘বোমা হোসেন’।যার নাম শুনলেই কেঁপে উঠতেন ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী। মেহেরপুরের গাংনীর অলিগলিতে যেখানে-সেখানে বিষ্ফোরিত হতো বোমা ও পড়ে থাকত রহস্যময় ককটেলসদৃশ বস্তু, আর তার নেপথ্যে ছিলেন এই একজন মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে থাকা মো. হোসেন আলী অবশেষে ধরা পড়লেন কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে।
নিজ এলাকা থেকে বহুদূরে লুকিয়েও রেহাই পাননি তথ্যপ্রযুক্তির নজরদারি থেকে। বৃহস্পতিবার ভোরে গাংনী থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তারের পরই যেন খুলে যায় রহস্যের জট। জিজ্ঞাসাবাদে মুখ খোলেন হোসেন নিজেই। আর তার দেখানো পথ ধরে শুক্রবার রাত ২টায় পুলিশ হানা দেয় তার নিজের বাড়ি পুর্ব মালসাদহতে। সেখান থেকে উদ্ধার হয় আরও দুটি ককটেলসদৃশ বস্তু— যেন নিজের ঘরেই লুকিয়ে রেখেছিলেন আতঙ্কের রসদ!
শুধু ককটেল কাণ্ডই নয়, ‘বোমা হোসেন’-এর ফাইলে জমা আছে আরও ভারী অভিযোগ— দুটি হত্যা মামলাসহ সাতটি জিআর ওয়ারেন্ট! সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ির কাছ থেকে চাদা দাবী করতো। সে দাবী পরিশোধে অপারগতা প্রকাশ করলে তার বাড়িতে বোমা হামলা করা হতো কিংবা বোমা রেখে আসতো।
গাংনী থানার ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, এখানেই থামছে না অভিযান— এবার লক্ষ্য তার সহযোগীদের খুঁজে বের করা। প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে— এই চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত?
মোঃ হোসেন আলী ওরফে বোমা হোসেন (৫০)গাংনীর পূর্ব মালসাদহ গ্রামের ওহিল উদ্দীনের ছেলে।স্থানীয় সুত্র জানায় হোসেন প্রায় ৮ বছর আগে এলাকা ত্যাগ করে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে অপরাধ সংঘঠিত করতো।
পড়ুন : বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের
সা/


