বিজ্ঞাপন

নওগাঁয় মাদক মামলার সাক্ষীর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

​নওগাঁর বদলগাছীতে মো. পাখি (৩৮) নামে এক মাদক মামলার সাক্ষীর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামলার আসামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হাজেরা বেগম (৬০) নামে এক নারী পথচারী আহত হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত টুটুলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার কোলা ইউনিয়নের পুকুরিয়া গ্রামের হাবিবের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

দগ্ধ পাখিকে উদ্ধার করে প্রথমে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। আহত পথচারী হাজেরা বেগম নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

​দগ্ধ মো. পাখি উপজেলার কয়া ভবানীপুর গ্রামের আঙ্গুর হোসেনের ছেলে। আহত পথচারী হাজেরা বেগম (৬০) পুকুরিয়া গ্রামের মৃত লছির উদ্দিনের স্ত্রী। আটক অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান টুটুল একই এলাকার মৃত আক্তার মণ্ডলের ছেলে।

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে পাখি বদলগাছী থেকে কোলা বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। হাবিবের বাড়ির সামনে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা টুটুল একটি বোতলে থাকা পেট্রলে আগুন ধরিয়ে পাখির দিকে ছুড়ে মারেন। এতে মুহূর্তের মধ্যে পাখির হাত, পা ও মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে। পাশাপাশি টুটুলকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে থানায় খবর দেয়।

পুলিশ জানায়, গত ২৫ জুলাই গাঁজা ও হেরোইনসহ টুটুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই সময় পুলিশ বাদী হয়ে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বদলগাছী থানায় মামলা করে। ওই গ্রেপ্তারের সময় স্থানীয় মো. পাখিসহ কয়েকজন উপস্থিত সাক্ষী ছিলেন। কারাবাসের প্রায় ১০ দিন পর জামিনে মুক্ত হয়েই সাক্ষী ও স্থানীয়দের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে সুযোগ খুঁজছিলেন টুটুল। তারই ধারাবাহিকতায় এ হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

​বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, আসাদুজ্জামান টুটুল বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং তিনি চিহ্নিত একজন মাদকাসক্ত। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং ঘটনার পেছনে আরও কোনো কারণ বা সহযোগী রয়েছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : দোহারে পবন বেপারী রাস্তার বেহাল দশা, ভোগান্তি চরমে

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন