বিজ্ঞাপন

সাগরে নৌকা ডুবিতে আসলামপুরের নীরব মিয়া নিখোঁজ

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ নীরব মিয়া নৌকা ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি ডুবে যাওয়া নৌকাটির মিস্ত্রি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, গত ২৩ আগস্ট ২০২৬, রবিবার, আনুমানিক বিকেল ৫টার দিকে বৈরী আবহাওয়া ও নদীর পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় ঘাটে ফেরার পথে মহিপুর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে সাগরের মোহনায় নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাটির মালিক মোঃ ইউসুফ মাল, পিতা—মোঃ মোস্তফা মাল; তিনি আসলামপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

নৌকাটিতে মোট ১৬ জন ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নৌকার মিস্ত্রি মোঃ নীরব মিয়া এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও শোক বিরাজ করছে।

এদিকে নিখোঁজ নীরব মিয়ার সন্ধান ও দ্রুত উদ্ধারের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিব শিকদার।

তিনি বলেন, “নীরব মিয়া আমাদেরই এলাকার একজন মানুষ। একজন পরিবারের সদস্যের নিখোঁজ হওয়া শুধু একটি পরিবারের কষ্ট নয়, এটি পুরো এলাকার মানুষের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট সর্বোচ্চ পর্যায়ের মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের প্রতি বিনীত আহ্বান জানাই—নীরব মিয়াকে উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হোক। তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হোক।”

রাকিব শিকদার আরও বলেন, “আমরা আশা করি, সরকারের দায়িত্বশীল মহল বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং নীরব মিয়াকে দ্রুত খুঁজে বের করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা ও ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একজন মানুষকে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় একটি পরিবার আজ চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছে। মহান আল্লাহ যেন নীরব মিয়াকে সুস্থ ও নিরাপদে তাঁর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেন—এই দোয়া করি।”

নীরব মিয়ার পরিবার ও এলাকাবাসীও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ও সর্বাত্মক উদ্ধার অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে নিখোঁজ নীরব মিয়াকে উদ্ধারের আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

পড়ুন : স্বর্ণের দাম বেড়ে ভরি আড়াই লাখ ছুঁইছুঁই

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন