বিজ্ঞাপন

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে সারাদেশে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার করেছে র‍্যাব ফোর্সেস। ধর্মীয় এ উৎসবকে কেন্দ্র করে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি, নাশকতা ও গুজব মোকাবিলায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার পেট্রোলিং। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে র‍্যাব।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) র‍্যাব সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বুধবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থলে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি চালাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ এলাকার সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থলে পর্যাপ্ত র‍্যাব সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনায় আগাম ‘স্কেলিটন ফোর্স’ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

নিরাপত্তা কার্যক্রমে স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পক্ষকেও সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এলাকার মসজিদের ইমাম, সামাজিক ও নাগরিক নিরাপত্তা কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কোনো স্বার্থান্বেষী বা সন্দেহভাজন গোষ্ঠী যাতে হামলা বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটাতে না পারে, সে জন্য গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিতর্কিত ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের ওপরও নজরদারি রাখা হচ্ছে।

জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে পারে-এমন গুজব, অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও উসকানিমূলক পোস্ট শনাক্তে সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে।

র‍্যাব ফোর্সেস দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, হিজরি সনের ১২ রবিউল আউয়াল মুসলমানদের মহানবী হযরত মুহাম্মদের (সা.) পৃথিবীতে আগমন ও তিরোধানের দিন। এ দিনটি মুসলিম বিশ্বে ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে পালন করা হয়। বাংলাদেশে দিনটি সরকারি ছুটি।

পড়ুন : ভারতে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যর্পণ চায় সরকার: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন