রাজশাহীর বাঘা উপজেলার ফাতেমা রওনক ইংলিশ অলিম্পিয়াডে সুযোগ পেলেও অর্থের অভাবে এই সুযোগ হারাতে পারে। আগামী ৩১ আগষ্ট্র এর মধ্যে অর্থ জমা না দিতে পারলে নিভে যেতে পারে ফাতেমার ইংলিশ অলিম্পিয়াডের স্বপ্ন।
ইওজি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ফাইনাল শুধু প্রতিযোগিতা নয়। আর্ন্তজাতিক স্পিকার, কূটনীতিকদের সাথে কাজ এবং ১০% বৃত্তি ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি র্ভতির সুযোগ রয়েছে।
ইংলিশ অলিম্পিয়াড সেশন-৪ এর জুনিয়র ক্যাটাগরিতে দেশসেরা প্রতিযোগীদরে পেছনে ফেলে সে ইংলিশি অলিম্পিয়াড গ্লোবাল-২০২৬ গ্রান্ড ফাইনালে ফাতেমা। আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে দেশের সুনাম উজ্জ্বল করার জন্য এটি তার সামনে গৌরবময় সুযোগ।
সে অত্যন্ত মধোবী ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থী। রহমতুল্লাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাতেমা রওনক। এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বররে সিঙ্গাপুর ও মালোশিয়ায় ৪-৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেরশ সরকার-অংশীদাারত্বের বৈশ্বিক আসর। ৬ মহাদেশের মেধাবীদের সাথে ফাতেমা রওনক এদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।
প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে আসা ফাতেমা রওনক রাজশাহীর বাঘা উপজলোর মনিগ্রাম ইউনিয়নের দেবোত্তর বিনোদপুর গ্রামের রফিকুলের কণ্যা। ৪ সদস্যের সংসারে মা, বাবা ও ফাতমো সহ র্৪থ শ্রণেীতে অধ্যায়নরক ছোট ছেল ইউসুফ আবদুল্লাহ। তাদরে সংসার চলে বাবা রফিকুল হাসান ও মা আসমা ইয়াসমিনের শিক্ষকতার বেতনের টাকায়।
ফাতেমার স্বপ্ন এবং দেশের গৌরব অর্জন হয়তো থমকে যাবে অর্থের অভাবে। আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে তাকে। যাতায়াত, আবাসন, রেজিস্ট্রেশন ও ভিসা প্রসেসিং ফি বাবদ লাগবে প্রায় ৫লক্ষ টাকা, বিমান ভাড়া, ভিসা ফি, হোটেল, যাতায়াত, খাবার ও সাইটসিয়িং এর জন্য প্রয়োজন অর্থ। তার এই সাফল্যে অশিংদার দেশের সকলের।
ফাতমোর বাবা বলনে, ময়েরে সাফল্যে আমরা র্গবতি। কন্তিু এক সঙ্গে ৫ থেকে ৭ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করা তাদের পক্ষে সম্ভব না। কোন এনজিও থেকে লোন করলেও সময় লাগবে প্রায় এক মাস। কিন্ত ততখনে এই সুর্বণ সুযোগ হয়তো আর থাকেব না। অর্থের অভাবে ডুব যাবে তাদের স্বপ্ন। এই সময় দেশের সরকার, বিভিন্ন প্রতষ্ঠিান এবং বৃত্তবানদের সহযোগিতা পেলে তার মেয়ে ইংলিশ অলিম্পিয়াডে সুযোগ পাবে।
ফাতেমা রওনক বলে, অর্থের অভাবে স্বপ্ন হয়তো স্বপ্নের মধ্যেই নিভে যাবে। অল্প সময়ের মধ্যে তার পরিবারের পক্ষে ৬-৭ লক্ষ টাকার যোগান দেওয়াও আরো একটি স্বপ্ন। তবে যদি তার পরিবার এই পথ চলায় সক্ষম হয়, তাহলে আর্ন্তজাতিক অঙ্গনে দেশের সুনাম উজ্জ্বল করতে পারবে ইনশাআল্লাহ। পরিশেষে সে বলে, তার পড়া লেখা এবং সার্বিক সফলতার অংশিদার তার মা-বাবা ও স্কুলের শিক্ষক।
রহমতুল্লাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল ইসলাম বলেন, এই বিদ্যালয়ের মেয়ে শিক্ষার্থী আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে দেশের প্িরতনিধিত্ব করবে এটাই গর্ভের বিষয়। কিন্ত ফাতেমার পরিবারের পক্ষে ৬ -৭ লক্ষ টাকা এক সঙ্গে দেওয়া সম্ভব নয়। বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে হয়তো ফাতেমা দেশের সম্মান রক্ষা করতে পারবে।
পড়ুন : ক্রিটের দ্বীপে বাংলাদেশিসহ ৭৯ অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার
সা/


