বিজ্ঞাপন

লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেও বহাল তবিয়তে ইউএনও’র গাড়ি চালক

নিস্তদ্ধতা আর নিরবতায় স্বাক্ষী দিচ্ছে অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতার কল কাঠি কে নাড়াচ্ছে। ভূয়া নিয়োগে গত ৮ বছর যাবত ছদ্ম নামে গাড়ি চালকের ভাউচার বিলের লক্ষ লক্ষ টাকা উত্তোলন করেছে নাইট গার্ড শ্রী উজ্জ্বল কুমার দাস। সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করেও ইউএনও’র গাড়ির চালাক হিসাবে কর্মরত রয়েছে ওই নাইট গার্ড।

বিজ্ঞাপন

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ ২০১৮ সালে ইউএনও গাড়ি চালক মোঃ জিলিন শেখ চাকুরী থেকে অবসর নেয়। এরপর থেকেই গাড়ির চালক হিসাবে যোগদান করে (নাইট গার্ড) উজ্জ্বল কুমার। ওই চালক নাইট গার্ডে বেতন উত্তোলন করলেও চালকের বেতনের তথ্য ধোঁয়াশায় থেকে যায়। গত ১২ জুন ২৪ তারিখের চারঘাট উপজেলার ভাউচার বিল ১৭১/২০২৩-২৪ তথ্য মতে ইউএনও গাড়ির চালকের দৈনিক মুজুরি মাসিক বিল ১৫ হাজার ৯ শত ৫০ টাকা। সেই হিসাবে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় গত ৮ বছরে প্রায় ১৭লক্ষ টাকার অধিক গিলে খেয়েছে ওই নাইট গার্ড।

ছদ্ম নামের ইউএনও এর ভূয়া নিয়োগকৃত গাড়ি চালক হলো শিপুল কুমার দাস। সে রাজশাহীর রাজপাড়া থানাধীন শ্রীরামপুর গ্রামের শ্রী বাবুল চন্দ্র দাস এর ছেলে। ওই ছদ্ম নামের চালক হলো উজ্জ্বলের আত্মীয় (ভাই এর ছেলে)। বিষয়টি নিয়ে ইউএনও এর কার্যালয়ের সকলেই নিস্তব্ধ। ছদ্ম নামে নিয়োগকৃত গাড়ি চালক শিপুল কুমার মুঠোফোনে বলেন, তিনি ইউএনও’র গাড়ি চালক হিসাবে কর্মরত না। তবে বর্তমান গাড়ি চালক অভিযোগের বিষয় উজ্জ্বল শিকার করে বলেন, বিগত সময় থেকে গাড়ি চালক শিপুল নামে বেতন উত্তোলন করেছে।

সার্টিফিকেট সহকারী আসাদুল্লা আল গালিবের কাছে সকল তথ্য রয়েছে। কিন্ত সকলেই একই সুতোই গাঁথা। সার্টিফিকেট সহকারী একই বক্তব্য দিয়ে বলেন, ইউএনও’র নির্দেশ ব্যতিত কোন তথ্য দেওয়া যাবে না।
উপজেলা হিসাব কার্যালয় জানায়, উপজেলা প্রশাসন ছদ্ম নামের গাড়ি চালকের নামে যেভাবে ভাউচার বিল দিয়েছে, সেই ভাবে ইউএনও’র গাড়ি চালক শিপুলের নামে বিল করা হতো। বিগত সময় থেকে সরকারী অর্থ উত্তোলন করেছে। এই বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ভালো বলতে পারবে।

বর্তমান ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস বক্তব্য, বিগত সময়ে যেভাবে চলে আসছে, বর্তমান একই নিয়মে সে গাড়ি চালাচ্ছে এমনটাই বক্তব্য দিয়েছেন। তবে সম্প্রতী কিভাবে সে এখানো ইউএনও’র গাড়ি চালক হিসাবে কর্মরত আছে। এবং বিগত সময়ে সরকারী টাকা আত্মসাৎ করেছে সেই বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই বিষয়ে ইউএনও কোন বক্তব্য দিতে সম্প্রতি প্রকাশ করেননি।

গত তিনদিন যাবত অনেক চেষ্টা করেও জেলা প্রশাসক কাজি শহিদুল ইসলাম সঙ্গে দেখা করা সম্ভব হয়নি। সোমবার ১১.৩০টা থেকে দুপুর ১.৫৮টা পর্যন্ত তার কার্যালয়ের অপেক্ষা করার পরেও ডিসির বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ সহকারী কমিশনার মোঃ নরুল আবছার সবুজ বলেন, স্যারের অনেক ব্যস্ততা রয়েছে, আজকেও দেখা করা সম্ভব হবে না। চারঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর বিষয়ে ডিসি ইতোর্পূবেও তেমন কিছু বলতে আগ্রহ প্রকাশ করেনি।

পড়ুন:রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নোবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন