রাজশাহীর তানোরে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) সহকারী প্রকৌশলী নাইমুল হাসানের সঙ্গে এক সিএনজি চালকের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সিএনজি চালকদের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদের ব্যক্তিগত গাড়িতে তিনি ছাড়াও তানোর বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী নাইমুল হাসান, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ওয়াজেদ আলী মিয়া এবং মৎস্য কর্মকর্তা সাজু চৌধুরী তানোর থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন।
কালীগঞ্জ হাট ব্রিজ পার হওয়ার পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজির সঙ্গে তাদের গাড়ির ধাক্কা লাগে।
এ ঘটনার পর কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী নাইমুল হাসানের বিরুদ্ধে সিএনজি চালক সুমন চৌধুরীকে মারধর করে আহত করা এবং স্থানীয় একটি বাড়িতে সিএনজি আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে।
তবে এ ঘটনায় দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
সিএনজি চালক সুমন চৌধুরী বলেন, তিনি রাজশাহী থেকে সিএনজি নিয়ে তানোরে আসছিলেন। কালীগঞ্জ হাট ব্রিজের পূর্বপাড়ে পৌঁছামাত্র তানোরের দিক থেকে আসা একটি কার তার সিএনজিকে ধাক্কা দেয়। পরে উল্টো বরেন্দ্র কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তা তাকে বেধড়ক মারধর করেন এবং সিএনজি আটকে রাখেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী নাইমুল হাসান বলেন, তিনি সিএনজির চাবি নিতে চাইলে চালক তার হাত মুচড়ে দেন। এতে তার হাতের একটি আঙুল ফেটে গেছে। তিনি বলেন, সিএনজি চালক মারমুখী আচরণ করায় তাকে মৃদু চড়-থাপ্পড় দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সচেতন মহলের অভিমত, সড়কে চলাচলের সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একজন সিএনজি চালককে মারধরের অভিযোগ উঠলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।
পড়ুন: আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের দুর্নীতির সত্যতা পেয়েছে দুদক
আর/


